থানা থেকে বেরিয়েই বৈদ্যনাথকে নিশানা কুণালের, ‘ঘোঁৎ ঘোঁৎ’ ডাক কি ভিনগ্রহীর!
বার্তা ডেস্কঃ
September 18, 20268:40 am
সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে বিতর্ক এবং বারাসাত থানায় এফআইআর—এই জোড়া ইস্যুতে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও তাঁর পরিবারকে অবমাননার অভিযোগে বারাসাত থানায় তলব করা হয়েছিল কুণাল ঘোষকে। নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজিরা দিয়ে নিজের বিস্ফোরক জবাব পুলিশকে জানিয়ে এসেছেন তিনি।
‘শুয়োর নয়, এলিয়েন!’
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় কুণাল ঘোষের পোস্ট করা ছবি ও লেখা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। ছবিটিকে ‘শুয়োরের মতো দেখতে’ এবং ‘ঘোঁৎ ঘোঁৎ’ শব্দ ব্যবহারের কারণ জানতে চাইলে কুণাল জানান:
- ছবিটি আসলে কোনও শুয়োরের নয়, বরং সেটি এক ভিনগ্রহী বা এলিয়েনের।
- ‘ঘোঁৎ ঘোঁৎ’ ডাক প্রসঙ্গে কুণালের যুক্তি, ভিনগ্রহীরাও তো ওভাবে ডাকতেই পারে!
- ছবিতে বা লেখায় কারও নাম-পদবী ছিল না, তাই অনর্থক কাকলি-পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদারের এটি গায়ে মাখার কোনো কারণ নেই।
‘ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্স কাজ করছে’
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানা থেকে বেরিয়ে কুণাল দাবি করেন, যাঁরা দলবদল করেছে কিংবা অন্যায় কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এক ধরনের মানসিক কমপ্লেক্সে ভোগেন। সেই কারণেই যে কোনও সাধারণ কথা বা ছবি নিজেদের ওপর টেনে নিচ্ছেন তাঁরা।
পুরনো সম্পর্কের কথা স্মরণ
দস্তিদার পরিবারকে তিনি নিশানা করেননি বোঝাতে কুণাল অতীতে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সমর্থনে লড়াই করার কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি জানান, একসময় কাকলি দেবীর পক্ষে তর্ক করার জন্যই বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। কুণালের সাফ কথা—আপত্তি থাকলে বৈদ্যনাথ সরাসরি তাঁকে বলতে পারতেন, এর জন্য থানায় এফআইআর করার কোনও প্রয়োজন ছিল না।