১ লাখ চাকরি! বিরোধীদের কড়া জবাব দিলেন যোগী আদিত্যনাথ
বার্তা ডেস্কঃ
September 19, 20267:55 pm
আসন্ন নির্বাচনের আগেই উত্তরপ্রদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য বিরাট সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আগামী ছয় মাসের মধ্যে রাজ্যের আরও ১ লক্ষ যোগ্য প্রার্থীকে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়ার ঘোষণা করেছেন তিনি। এই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে যোগী সরকারের আমলে মোট সরকারি চাকরিপ্রাপ্তের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১০.৫ লক্ষ।
‘সম্পূর্ণ স্বজনপোষণ ও রাজনীতিমুক্ত নিয়োগ’ নিজের শাসনকালের স্বচ্ছতার কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের কোনো নিয়োগ বোর্ডে বা কমিশনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ চলে না। কমিশনগুলোকে দলীয় রাজনীতির উর্ধ্বে রাখা হয়েছে বলেই আজ সঠিক সময়ে ও নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে।”
২০১৭ সালের আগের জমানাকে কড়া আক্রমণ ২০১৭ সালের পূর্ববর্তী সমাজবাদী পার্টি ও অন্যান্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করে যোগী দাবি করেন, অতীতে উত্তরপ্রদেশের নিয়োগ ব্যবস্থা দুর্নীতি ও স্বজনপোষণে জর্জরিত ছিল। সরকারি পদে বসানো হতো নিজেদের ‘ভাই ও আত্মীয়দের’।
তৎকালীন উত্তরপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (UPPSC) অনিয়ম নিয়ে যোগী স্মরণ করিয়ে দেন, “এমন এক অযোগ্য ব্যক্তিকে কমিশনের চেয়ারে বসানো হয়েছিল যার বিরুদ্ধে আদালত কঠোর মন্তব্য করতে বাধ্য হয়। বিচারক স্পষ্ট বলেছিলেন, ওই ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাগারে পাঠানো উচিত।”
“উত্তরপ্রদেশ অসুস্থ ছিল না, অসুস্থ ছিল তৎকালীন সরকারের মানসিকতা” অতীতে রাজ্যে ঘন ঘন দাঙ্গা, মাসের পর মাস সান্ধ্য আইন (কারফিউ) এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে পূর্বসূরিদের কাঠগড়ায় তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরপ্রদেশকে ‘বিমারু’ (পিছিয়ে পড়া) রাজ্য বানিয়ে রাখার দায়ও তিনি আগের সরকারের ঘাড়েই ঠেলে দেন।
যোগী সোজাসাপ্টা ভাষায় বলেন, “উত্তরপ্রদেশ রাজ্যটি নিজে অসুস্থ ছিল না, অসুস্থ ছিল তৎকালীন সরকারগুলোর মানসিকতা ও কাজের ধরন।” বর্তমান সরকার স্বচ্ছ পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য তরুণদের চাকরি নিশ্চিত করে রাজ্যের ভাবমূর্তি পুরোপুরি বদলে দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।