নাবালিকাকে হেনস্থার চরম মাশুল, পুলিশের এনকাউন্টারে গুলিবিদ্ধ মূল অভিযুক্ত!
বার্তা ডেস্কঃ
September 22, 20262:12 pm
জামুই (বিহার): বিহারের জামুই জেলায় কোচিং থেকে ফেরার পথে নাবালক ও নাবালিকাকে হেনস্থার ঘটনায় চরম কড়া পদক্ষেপ করল পুলিশ। ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদবকে এনকাউন্টার করল জামুই পুলিশ। এনকাউন্টারে নন্দন যাদবের পায়ে গুলি লেগেছে। এছাড়া অন্য এক অভিযুক্ত হরেরাম যাদবও আহত হয়েছে বলে খবর।
ঠিক কী ঘটেছিল? গত ১৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সন্ধ্যায় কোচিং ক্লাস থেকে স্কুটারে করে বাড়ি ফিরছিল এক কিশোর ও কিশোরী। জামুই এলাকায় একদল দুষ্কৃতী জোর করে তাদের পথ আটকায় এবং স্কুটার থেকে নামিয়ে দেয়। ভয়ে দু’জন পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া করে চরম উত্যক্ত করা হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুষ্কৃতীরা কিশোরটিকে সজোরে চড় মারছে এবং ভয় দেখিয়ে তার পরিবারকে ফোন করতে বাধ্য করছে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয় এবং দুষ্কৃতীদের ফাঁসির দাবি ওঠে।
পুলিশের অ্যাকশন ঘটনাটির তদন্তে নেমে মঙ্গলবার অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশকে দেখে পালানোর চেষ্টা করলে শুরু হয় গুলির লড়াই। পুলিশের গুলিতে মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদবের পায়ে গুলি লাগে। তাকে গ্রেপ্তার করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
গর্জে উঠলেন রাহুল গান্ধী এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিহারের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ অ্যাখ্যা দিয়ে পকসো (POCSO) আইনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “এই ধরনের জঘন্য আচরণ করার অধিকার কে দিল? এটি আদতে অন্ধ পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতার ফল—যেখানে মনে করা হয় পুরুষের ইচ্ছা অনুযায়ী নারীদের শরীরের ওপর, যাতায়াত ও স্বাধীনতার ওপর নজরদারি চালানো যায়। যখন দুষ্কৃতীরা এই মানসিকতাকে স্বাভাবিক ভেবে ফেলে, তখনই তারা নিজেদের আইন বলে মনে করতে শুরু করে।”