‘নির্লজ্জ-বেহায়া গদ্দার!’ ২০ তৃণমূলত্যাগী সাংসদকে ধুয়ে দিলেন মহুয়া মৈত্র!
বার্তা ডেস্কঃ
September 22, 20266:50 pm
দলবদলু ২০ জন সাংসদকে অত্যন্ত কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র। স্পিকারের পাঠানো নোটিসের জবাব না দিয়ে বারংবার সময় চাওয়া নিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের একযোগে ‘নির্লজ্জ, বেহায়া এবং মেরুদণ্ডহীন’ বলে কটাক্ষ করলেন তিনি।
ঠিক কী ঘটেছিল? রাজ্যের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ রাতারাতি দল ছেড়ে NCPI-তে যোগ দেন। এরপরই তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের জন্য সুর চড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সমস্ত তৃণমূলত্যাগী সাংসদকে এক সপ্তাহের মধ্যে নোটিসের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন।
জবাব না দিয়ে সময় ভিক্ষা! আজ, ২২ সেপ্টেম্বর সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও সূত্রের খবর, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের মতো নেতারা জবাব এড়াতে স্পিকারের কাছে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। দলবদলু নেতাদের এই অবস্থান নিয়েই এবার বিদ্রূপের বাণ ছুঁড়লেন মহুয়া।
মহুয়ার ধারালো তোপ: চাপড়ার মহেশনগরে কর্মীসভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ক্ষোভ উগরে দেন মহুয়া। দলবদলু নেতাদের বিঁধে তিনি বলেন,
“যারা আমাদের টিকিটে জিতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে ভোটে পার পেল, তারা রাতারাতি গদ্দারি করল! এরা এখন বড় জোর ফুটবল প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করতে পারে, সাধারণ মানুষের ভোট আর কোনোদিন পাবে না।”
প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গ টেনে মহুয়া আরও যোগ করেন, “আমাদের এই ২০ জন সাংসদ অত্যন্ত নির্লজ্জ ও মেরুদণ্ডহীন। সকালে সেজেগুজে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গিয়ে ব্রেকফাস্ট করছেন! ওদের নিজেদের কিছু বলার মুখ নেই, এবার সুপ্রিম কোর্টেই গিয়ে জবাব দিতে হবে।”
২০ জন দলবদলু সাংসদের এই নীরবতা এবং সময় চেয়ে নেওয়ার কৌশল নিয়ে এখন রাজ্য রাজনীতির পারদ চড়চড় করে বাড়ছে।