তারেকের ভারত সফর নিয়ে কী বললেন দীনেশ ত্রিবেদী?
বার্তা ডেস্কঃ
September 29, 20265:58 pm
গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। ক্ষমতায় আসার পরই ভারতের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে দিল্লি সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এমনকি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনেও আমন্ত্রিত ছিলেন তিনি, তবে সম্মেলনে যোগ দেননি এবং ঢাকার তরফে কোনও প্রতিনিধিও পাঠানো হয়নি। অথচ ক্ষমতায় বসার পর ইতিমিধ্যেই চিন সফর সেরে ফেলেছেন খালেদা-পুত্র।
এই আবহে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছিল—কবে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী? অবশেষে তারেক রহমানের এই বহুচর্চিত দিল্লি সফর নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
‘কোনও তাড়া নেই, সময় হলেই সফর’ মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট জানান, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে আসার যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তা এখনও বহাল রয়েছে। এটা নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই। সঠিক সময় এলেই নিশ্চয়ই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে আসবেন। সব কিছুই ইতিবাচক পথে এগোচ্ছে।”
দুই দেশের ‘রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা’ রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছিল, শেখ হাসিনার অবস্থান এবং রাজনৈতিক সম্পর্কের নানা সমীকরণের কারণেই হয়তো দিল্লি সফর এড়াচ্ছে ঢাকা। তবে দুই দেশের বর্তমান কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা মেনে নিয়েই ভারতীয় হাই কমিশনার জানান, রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা (Political Compulsion) দুই পক্ষেই রয়েছে। তবে সামগ্রিক পরিবেশ অত্যন্ত ইতিবাচক এবং এই সফর নিয়ে ভারত সম্পূর্ণ আশাবাদী।
নভেম্বর মাসে তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ঘিরে আলোচনা হলেও নির্দিষ্ট কোনও তারিখ এখনও স্থির হয়নি বলে জানা গেছে।
ঢাকার বার্তা: ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক’ অন্যদিতে এই বৈঠকের পর বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়। সেখানে জানানো হয়েছে, ভারতের সঙ্গে দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে বাংলাদেশ দৃঢ় প্রতিজ্ঞবদ্ধ।