চাকরি নেই তো কী হয়েছে, ট্যাক্সি চালান! উপমুখ্যমন্ত্রীর নিদানে তুঙ্গে বিতর্ক
বার্তা ডেস্কঃ
September 30, 20268:48 am
লখনউ: প্রথাগত চাকরির পেছনে অন্ধের মতো না ছুটে ই-রিকশা বা ট্যাক্সি চালিয়ে আত্মনির্ভর হওয়ার পরামর্শ দিলেন উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক। লখনউয়ে ‘ভারত ট্যাক্সি’ পরিষেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া—সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
ঠিক কী বলেছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী? অনুষ্ঠানে উপস্থিত তরুণ প্রজন্মের সামনে কর্মসংস্থানের বিকল্প হিসেবে পরিবহন ব্যবসাকে তুলে ধরেন ব্রজেশ পাঠক। তিনি বলেন, প্রচলিত চাকরির পেছনে অতিরিক্ত সময় নষ্ট না করে স্ব-কর্মসংস্থানের পথ বেছে নেওয়া অনেক বেশি লাভজনক। তাঁর দাবি, ই-রিকশা বা ট্যাক্সি চালানোর মতো পেশায় যুক্ত হলে যুবকরা যেমন দ্রুত নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে ভালো উপার্জন করতে পারবেন, তেমনই পরিবারের সঙ্গেও তুলনামূলকভাবে বেশি সময় কাটাতে পারবেন।
বিরোধীদের তোপ ও রাজনৈতিক বিতর্ক উপমুখ্যমন্ত্রীর এই বয়ান সামনে আসতেই সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। বিরোধীদের প্রশ্ন—যেখানে শিক্ষিত যুবসমাজ চাকরির অভাবে হাহাকার করছে এবং বেকারত্ব দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা, সেখানে রাজ্যের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপমুখ্যমন্ত্রী কীভাবে প্রথাগত শিক্ষার পর তরুণদের পেশাগত গাড়ি চালক হওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন?
তবে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠমহল বিষয়টি অন্যভাবে দেখছে। তাদের দাবি, যুবসমাজকে কেবল ‘চাকরিপ্রার্থী’ না বানিয়ে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার উদ্দেশ্যেই তিনি এই পরামর্শ দিয়েছিলেন। বিতর্ক বা সাফাই যাই থাকুক না কেন, বেকারত্বের মতো সংবেদনশীল ইস্যুতে উপমুখ্যমন্ত্রীর এই ‘ট্যাক্সি নিদান’ যে আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করবে, তা নিশ্চিত।