তেল শোধনাগারে হামলার পর কেন ইজরায়েলি সাহায্য ফেরালেন সৌদি যুবরাজ?
বার্তা ডেস্কঃ
ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হাউথির সাম্প্রতিক হামলায় কেঁপে উঠেছে সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও বৃহত্তম তেল শোধনাগার আরামকো। এই ভয়াবহ হামলায় বহু মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি আহত হয়েছেন অনেকেই। উদ্ভূত সংকটময় পরিস্থিতিতে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে কূটনৈতিকভাবে দুই দেশের মধ্যে কোনও সুসম্পর্ক না থাকায় এবং জনমানসে এর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার কথা ভেবে সেই প্রস্তাব সটান খারিজ করে দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সালমান।
বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ইজরায়েলের এই সামরিক সহযোগিতার প্রস্তাবের নেপথ্যে ছিল দুই দেশের আঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদার করার কৌশল। মার্কিন মধ্যস্থতায় এই প্রস্তাব দেওয়া হলেও, রিয়াদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে প্যালেস্টাইন ইস্যুর সমাধানের ওপর নির্ভরশীল। অথচ এই অবস্থানে অনড় থাকতে নারাজ নেতানিয়াহু। এর ফলে সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে রক্তক্ষয়ী হামলার পর তেহরান ও তেল আভিভের টানাপোড়েনের মাঝে আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে।