পদ কি টিকবে? লোকসভায় জবাব দিতে আবারও সময় চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা!
বার্তা ডেস্কঃ
তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের পদ খারিজের মামলার জল গড়াচ্ছে দূরদূরান্তে। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বেঁধে দেওয়া একাধিক ডেডলাইন পার হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো জবাব জমা দেননি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষদস্তিদার-সহ অভিযুক্ত সাংসদরা। এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষের দপ্তর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও তা মানা হয়নি। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে সময়সীমা বাড়ানো হলেও, শেষ পর্যন্ত নির্দিষ্ট দিনেও কোনো উত্তর দিতে ব্যর্থ হন সাংসদরা। ফলস্বরূপ, পরিস্থিতি সামলাতে অধ্যক্ষের কাছে আরও দুই সপ্তাহ অর্থাৎ আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত নতুন করে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া ২০টি পৃথক চিঠির ভিত্তিতে এই সমস্ত সাংসদের সংসদ সদস্য পদ খারিজের দাবি উঠেছে। দলবদলের এই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই জল গড়িয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতেও। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, গোটা বিষয়টিতে লোকসভার স্পিকারের পদক্ষেপের ওপর কড়া নজরদারি বজায় রাখবে আদালত। একদিকে শীর্ষ আদালতের নজরদারি এবং অন্যদিকে বারবার ডেডলাইন পেরিয়ে যাওয়ার এই ঘটনায় জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নির্ধারিত আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে এই সাংসদরা কী সাফাই দেন এবং স্পিকার ওম বিড়লা কী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।