ট্রলিতে প্রতিমা নিরঞ্জন! একাদশীতেও বিসর্জন ঘিরে পুলিশের বিশেষ পরিকল্পনা কী?

বার্তা ডেস্কঃ

চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর প্রতিমা বিসর্জনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বদলে ফেলেছে প্রশাসন। বাবুঘাটে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী একাধিক জরুরি বৈঠকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে এবার ক্রেনের পরিবর্তে অতিরিক্ত ট্রলি ও কুলির মাধ্যমে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে প্রতিমা বিদায় জানানো হয়। কলকাতার ২৮টি গঙ্গার ঘাট, আদিগঙ্গার পাঁচটি ঘাট এবং ৩৪টি জলাশয় ও সরোবরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। শহরের প্রায় ২০০টি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে পুলিশ পিকেট বসানোর পাশাপাশি সামগ্রিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১৮ জন আইপিএস আধিকারিককে। দুর্ঘটনা এড়াতে জলপথে ২৫টি লাইফ সেভিং নৌকা এবং এনডিআরএফের দল মোতায়েন রয়েছে।

নিমতলায় ন’টি ও বাবুঘাটে ১২টি ট্রলির পাশাপাশি তিনশ জন কুলি প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে দ্রুত কাঠামো সরানো এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। ২১ থেকে ২৪ অক্টোবর প্রতিদিন বিকেল চারটে থেকে ঘাটগুলিতে বিশেষ পুলিশি তৎপরতা বজায় থাকবে এবং পুরসভার অ্যাম্বুল্যান্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে বুধবার সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত গঙ্গায় ছ’শো চারের বেশি প্রতিমা নিরঞ্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে এবার দশমীর গণ্ডি পেরিয়ে একাদশীতেও প্রতিমা নিরঞ্জন প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *