ব্যাংককের ধাঁচে এবার সেজে উঠছে কলকাতার চাউ-চাউ পাড়া, খুশির জোয়ার ভোজনরসিকদের মনে!

বার্তা ডেস্কঃ

রাস্তার ডিভাইডার থেকে নীল-সাদা রং মুছে ইতিমধ্যেই জায়গা করে নিয়েছে কালো-হলুদ-সাদা। এবার শহর কলকাতার সৌন্দর্যায়ন আরও একধাপ এগিয়ে নিতে একগুচ্ছ নয়া পরিকল্পনার কথা জানালেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল, কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্যাংরার চায়না টাউনের খোলনলচে বদলে ফেলা। মন্ত্রী জানিয়েছেন, চায়না টাউনকে নতুন লুকে সাজাতে চিনের কনসাল জেনারেলের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পাটুলিতে ১৬টি নবনির্মিত ফুড স্টলের উদ্বোধন করে পুরমন্ত্রী রাস্তার ধারের দোকানগুলির ভোলবদলের রূপরেখাও তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানান, দমদম বিমানবন্দর থেকে শহরে পা রেখেই বিনিয়োগকারীরা যাতে ত্রিপল বা ভাঙা বাঁশের জরাজীর্ণ দোকান না দেখেন, তার জন্য রাজ্যের সব স্ট্রিট ফুড স্টলকে একটি নির্দিষ্ট ও সুন্দর মডেলে সাজানো হবে। পাটুলির ধাঁচে ইএম বাইপাস এবং টালাতেও ‘স্ট্রিট ফুড স্ট্রিট’ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

হকারদের পুনর্বাসন নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের ‘লন্ডন’ মডেলের বদলে এবার ‘ব্যাংকক’ মডেল অনুসরণ করতে চলেছে বর্তমান সরকার। অগ্নিমিত্রা পাল জানান, ব্যাংককের আর্কিটেক্ট এনে শহরের হকারদের জন্য আধুনিক ও সুদৃশ্য দোকান বানিয়ে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে থাইল্যান্ডের কনসাল জেনারেলের সঙ্গেও কথা বলেছে রাজ্য। তবে সরকার দোকান বানিয়ে দিলেও, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং এফএসএসএআই (FSSAI) নির্দেশিকা মেনে চলা হকারদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরনো হকারদের সঠিক রিলোকেশনেরও (স্থানান্তর) আশ্বাস দিয়েছেন পুরমন্ত্রী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *