নন্দীগ্রামের এই চায়ের দোকানে কেন ভিড় করেন হেভিওয়েট নেতারা?
বার্তা ডেস্কঃ
একঝলক ডেস্ক:
নন্দীগ্রামের থানা মোড়ের অত্যন্ত ব্যস্ত রাস্তার পাশেই অবস্থিত সুজল মাইতির জনপ্রিয় চায়ের দোকান। প্রচারের ফাঁকে সম্প্রতি সেখানে চা পান করতে দেখা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। তবে শুধু তিনিই নন, এই দোকানের ইতিহাসের পাতায় জড়িয়ে রয়েছে একাধিক হেভিওয়েট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম। ভারতের প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদবাণী, প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী থেকে শুরু করে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়—সবাই বিভিন্ন সময়ে এই দোকানে বসে চা উপভোগ করেছেন। এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদা নিজে হাতে এখানে চা বানিয়েছিলেন বলেও জানা যায়। ফলে রাজনৈতিক উত্তাপের পাশাপাশি সুজলবাবুর দোকানের চায়ের কাপেও বরাবরই তুঙ্গে থাকে আড্ডার পারদ।
রবিবার নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানী রথের সমর্থনে টেনগুয়া চৌরঙ্গী মোড় থেকে হাসপাতাল বাইপাস পর্যন্ত আয়োজিত পদযাত্রায় অংশ নেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই রোড শোর পর থানা মোড়ে পৌঁছে সুজল মাইতির দোকানে থামেন তিনি। সেখানে শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো সহ অন্যান্য নেতৃত্ব লাল চা পান করেন। এই প্রসঙ্গে দোকানদার সুজলবাবু অত্যন্ত উৎসাহের সাথে জানান যে, রাজনেতাদের উপস্থিতি তাঁর দোকানে আলাদা মাত্রা যোগ করে। বিশেষ করে কঠিন পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারী সবসময় তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে জানান সুজলবাবু। হেভিওয়েট নেতাদের এই নিয়মিত আনাগোনায় নন্দীগ্রামের এই সাধারণ চায়ের দোকানটি এখন রাজনৈতিক প্রচার ও আড্ডার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।