দিওয়ালির সেরা উপহার! সরকারি কর্মীদের ডিএ বাড়ল ৩%, অ্যাকাউন্টে ঢুকছে মোটা টাকা!

বার্তা ডেস্কঃ

 

পাঞ্জাব ও গুজরাটে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি: উপকৃত লক্ষাধিক সরকারি কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেন্দ্রীয় সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পাঞ্জাব ও গুজরাট সরকার তাদের সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ৩ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। তবে ভাতা কার্যকর এবং বকেয়া প্রদানের ক্ষেত্রে দুই রাজ্যে ভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।

পাঞ্জাব: দুই মাসে ১১ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান রাজ্যের সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য নতুন করে ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন। এর ফলে মোট মহার্ঘ ভাতার হার ৫০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৩ শতাংশে উন্নীত হলো। এই সিদ্ধান্ত ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে এবং ডিসেম্বর মাসের বেতনের সঙ্গে বর্ধিত ভাতার টাকা যুক্ত হয়ে কর্মীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর পাঞ্জাব সরকার ডিএ ৮ শতাংশ বৃদ্ধি করেছিল। অর্থাৎ, মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে রাজ্যটিতে মোট ১১ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি পেল। এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের প্রায় ৮ লাখ কর্মী ও পেনশনভোগী উপকৃত হবেন।

গুজরাট: বকেয়া সহ ৬৩ শতাংশ ডিএ
গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল রাজ্যের সরকারি কর্মকর্তা ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য ডিএ ৩ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন। নতুন এই হার কার্যকরের ফলে রাজ্যের মহার্ঘ ভাতার হার ৬০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৩ শতাংশে পৌঁছালো। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এই বর্ধিত হার ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর (ব্যাকডেটেড) হিসেবে গণ্য হবে। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চার মাসের বকেয়া টাকা আগামী নভেম্বর মাসের বেতনের সঙ্গে প্রদান করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৯.৬৯ লাখ কর্মী ও পেনশনভোগী উপকৃত হবেন। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, এই বর্ধিত ভাতার কারণে রাজ্য সরকারের কোষাগারে বছরে অতিরিক্ত ১,৫৬৯ কোটি টাকার আর্থিক বোঝা বাড়বে।

প্রেক্ষাপট
গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য ৩ শতাংশ ডিএ ও ডিআর বৃদ্ধির অনুমোদন দেয়, যা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের পরপরই বিভিন্ন রাজ্য সরকারগুলিও তাদের কর্মীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির পথে হাঁটছে।

(বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের অফিসিয়াল পোর্টাল বা বিজ্ঞপ্তি যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *