শান্তিকুঞ্জে জনভোগান্তি এড়াতে কড়া নিরাপত্তা প্রত্যাখ্যান এবং সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হলো যাতায়াতের পথ
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাঁথির বাসভবন ‘শান্তিকুঞ্জ’-এর সামনে থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো পুলিশের বসানো গার্ডরেল। নিরাপত্তার কড়াকড়ি কমিয়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াত স্বাভাবিক রাখতেই স্বয়ং অধিকারী পরিবারের পক্ষ থেকে এই অনুরোধ জানানো হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে প্রশাসনের এই অতি-সক্রিয়তা যাতে সাধারণ নাগরিক বা পথচারীদের সমস্যার কারণ না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিরাপত্তার চেয়ে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার
প্রশাসনিক প্রোটোকল অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর গতকালই শান্তিকুঞ্জের সামনের রাস্তায় গার্ডরেল দিয়ে যান চলাচল ও পথচারীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছিল স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীর পরিবার স্পষ্ট জানায়, নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষকে সমস্যায় ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই। অধিকারী পরিবারের এই অনুরোধের পরেই সোমবার সকাল থেকে শান্তিকুঞ্জের সামনের রাস্তা পূর্বের মতো স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়।
অবাধ যাতায়াত ও সৌজন্যের নজির
মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে দিয়ে যাতে সাধারণ মানুষ অবাধে যাতায়াত করতে পারেন, সেই বার্তাই দিতে চেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর পরিবার। স্থানীয় বাসিন্দারা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সুবিধার কথা মাথায় রাখা এবং আড়ম্বরপূর্ণ নিরাপত্তা বলয়কে সরিয়ে রাখা এক বিশেষ প্রশাসনিক সৌজন্যের পরিচয় দেয়। এর ফলে শান্তিকুঞ্জের সামনে দিয়ে যাতায়াতকারী মানুষের মধ্যে যেমন স্বস্তি ফিরেছে, তেমনই নতুন সরকারের এই ‘জনবান্ধব’ ভাবমূর্তি সাধারণ মহলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। আপাতত ওই এলাকায় পুলিশের নজরদারি থাকলেও, তা সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় কোনো বাধার সৃষ্টি করছে না।