জন্মমাসই বলে দেবে প্রেমিক হিসাবে আপনার সঙ্গী কেমন, জেনে নিন জ্যোতিষশাস্ত্রের ইঙ্গিত
জ্যোতিষশাস্ত্রে মানুষের চরিত্র ও আচরণের ওপর জন্মসময়ের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মানা হয়। শাস্ত্রীয় মতে, এক জন পুরুষ প্রেমিক হিসাবে কেমন হবেন বা সম্পর্কের টানাপড়েনে তাঁর ভূমিকা কী হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে তাঁর জন্মমাসের ওপর। যদিও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের শতভাগ মিল থাকা সম্ভব নয়, তবে জন্মমাসের ভিত্তিতে জাতকদের স্বভাবে কিছু মৌলিক সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।
বছরের প্রথম অর্ধাংশের জাতকদের বৈশিষ্ট্য
জানুয়ারি মাসে জন্মানো পুরুষেরা সাধারণত আবেগপ্রবণ হলেও বিপদে অত্যন্ত যুক্তিবাদী এবং নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের জাতকেরা সম্পর্কের ছোটখাটো বিষয় মনে রাখতে পারদর্শী। ফেব্রুয়ারির জাতকেরা কিছুটা অভিমানী হলেও মার্চের জাতকেরা অত্যন্ত সহমর্মী এবং বিবাদ মেটাতে নিজেরাই উদ্যোগী হন। এপ্রিল ও জুন মাসের জাতকদের সঙ্গে সম্পর্কে থাকলে একঘেয়েমি আসার সুযোগ কম, কারণ তাঁরা স্বভাবগতভাবেই রসিক এবং সঙ্গীকে মাতিয়ে রাখতে ভালোবাসেন। তবে মে মাসের জাতকদের ক্ষেত্রে কিছুটা খামখেয়ালিপনা দেখা দিতে পারে, যার ফলে সম্পর্কে সাময়িক ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।
পরবর্তী মাসের জাতক ও সম্পর্কের রসায়ন
বছরের শেষ দিকের মাসগুলোতে জন্মানো জাতকদের মধ্যে বৈচিত্র্যময় বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। জুলাই ও সেপ্টেম্বরের জাতকেরা নিজেদের আবেগ প্রকাশে কিছুটা সংকুচিত হলেও তারা কাজের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে বিশ্বাসী। বিশেষ করে অগস্ট মাসের জাতকেরা জন্মগতভাবেই রোম্যান্টিক এবং সঙ্গীকে সিনেমার নায়িকার মতো গুরুত্ব দিতে পছন্দ করেন। অক্টোবর ও ডিসেম্বর মাসের জাতকদের মধ্যে কিছুটা রাগ বা জেদ থাকলেও তাঁরা দিনশেষে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিতে কুণ্ঠাবোধ করেন না। নভেম্বর মাসের জাতকেরা আবার শান্তিপ্রিয়, তাঁরা বিবাদ এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে যে কোনো সমস্যার সমাধান খুঁজতে পছন্দ করেন।
জ্যোতিষীদের মতে, এই বৈশিষ্ট্যগুলো মূলত গ্রহের অবস্থান ও জন্মকালীন শক্তির প্রভাবে গড়ে ওঠে। কোনো নির্দিষ্ট মাসে জন্মানো ব্যক্তির আচরণের এই ধরনগুলো বুঝে চললে সম্পর্কের জটিলতা কমিয়ে মাধুর্য বজায় রাখা সহজ হয়। মূলত পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বভাবের এই ছোটখাটো ভিন্নতাকে মেনে নেওয়াই একটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের মূল চাবিকাঠি।