সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করলেই বিকোবে ঘটি-বাটি, নৈরাজ্য রুখতে কড়া দাওয়াই মুখ্যমন্ত্রীর!
বিক্ষোভের নামে কথায় কথায় পথ অবরোধ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর কিংবা অগ্নিসংযোগের মতো চেনা নৈরাজ্যের সংস্কৃতি রুখতে এবার বেনজির কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ডায়মন্ড হারবারে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, আন্দোলনের নামে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে এবার থেকে অভিযুক্তদের বাড়ির আসবাবপত্র থেকে শুরু করে সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করবে পুলিশ। পরবর্তীতে সেগুলি নিলামে বিক্রি করেই সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ উসুল করা হবে।
অনুমতি ছাড়া পথ অবরোধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা
রাজ্যে আন্দোলনের নামে জনজীবন স্তব্ধ করে দেওয়ার চেনা ছবি আর বরদাস্ত করা হবে না বলে প্রশাসনের শীর্ষ স্তর থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, এবার থেকে যে কোনও ধরনের প্রতিবাদ, অবস্থান বা মিছিল করতে গেলে পুলিশের কাছ থেকে নিয়ম মেনে আগাম লিখিত অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। আগাম অনুমতি ছাড়া কোথাও কোনও জমায়েত বা অবরোধ তৈরি হলে পুলিশকে আইনানুগ ভাবে কঠোর পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ক্ষতিপূরণে আর্থিক দণ্ড ও সম্পত্তি ক্রোকের পথ
আমজনতার করের টাকায় তৈরি সরকারি বাস ভাঙচুর করা, ট্রেনে পাথর মারা কিংবা সরকারি দফতরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি ‘আর্থিক দণ্ড ও ক্রোক’-এর নজিরবিহীন রাস্তায় হাঁটছে রাজ্য সরকার। চিহ্নিত অভিযুক্তদের ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তুলে এনে তা বিক্রির মাধ্যমে রাজকোষের ক্ষতিপূরণ করা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গণতান্ত্রিক অধিকার বজায় রেখেও রাজ্যের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অরাজকতা বন্ধ করার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের নেপথ্যে থাকা আর্থিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার ফলে আগামীদিনে জনমানসে ভাঙচুরের প্রবণতা অনেকটাই কমবে এবং প্রশাস