২০ লাখ টাকা খোরপোশ নিয়েও যৌতুকের মামলা! হাইকোর্টের নজিরবিহীন রায়।
পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ এবং ২০ লাখ টাকা স্থায়ী খোরপোশ গ্রহণের পরেও স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক নির্যাতন ও মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়াকে আইনি ব্যবস্থার ‘চরম অপব্যবহার’ বলে অভিহিত করেছে রাজস্থান হাইকোর্ট। বিচারপতি অনুপ কুমার ধান্দের সিঙ্গল বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা যৌতুক ও বধূ নির্যাতনের সমস্ত ফৌজদারি মামলাটি খারিজ করে দিয়ে এই ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন মন্তব্য করেছেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, কাউকে মানসিকভাবে হেনস্তা করার জন্য দেশের আইন ও আদালতকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ফ্যামিলি কোর্টে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর স্ত্রী উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে উভয় পক্ষ আপস-চুক্তিতে পৌঁছায় এবং স্ত্রী ২০ লাখ টাকা খোরপোশ গ্রহণ করেন। অভিযোগ ওঠে, টাকা নেওয়ার পরেও স্ত্রী মামলা প্রত্যাহার করতে অস্বীকার করেন এবং ২০১৮ সাল থেকে আজ পর্যন্ত তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ আদালতে সাক্ষ্য দিতে হাজির হননি। আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে, চুক্তির সুবিধা নেওয়ার পর মামলা বজায় রেখে স্বামী ও তাঁর পরিবারকে আইনি লড়াইয়ে ঠেলে দেওয়া বিচার ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করার শামিল। তাই প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত মামলা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে।