জোড়াফুল কার? তৃণমূলে মহারাষ্ট্রের ছায়া, কমিশনে মমতা বনাম বিদ্রোহী শিবির!
বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীকের অধিকার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন মূল শিবির ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সমর্থিত বিদ্রোহী শিবিরের মধ্যে তীব্র সংঘাত শুরু হয়েছে। উভয় পক্ষই নিজেদের দলের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। সোমবার বিদ্রোহী শিবির মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে অরূপ রায়কে নতুন চেয়ারম্যান ঘোষণা করে এবং দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৫ জন তাঁদের পক্ষে রয়েছেন বলে দাবি করে। এই সংঘাতের জেরে তৃণমূলের প্রায় ৪৪০ কোটি টাকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ফ্রিজ করা হয়েছে।
পালটা পদক্ষেপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কমিশনকে নতুন নথিপত্র জমা দিয়েছে এবং অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিমসহ একাধিক বিদ্রোহী নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। পাশাপাশি, দলের সংবিধান অনুযায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আজীবন চেয়ারপার্সন থাকবেন বলে মহুয়া মৈত্র স্পষ্ট করেছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, উদ্ধব ঠাকরে ও শরদ পওয়ারের দলের অভ্যন্তরীণ সংকটের মতো তৃণমূলের এই লড়াই এখন আইনি জটিলতার দিকে মোড় নিতে পারে। দলের এই সম্পদ ও প্রতীকের লড়াই শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।