‘২০২৬ সালেই বিজেপির পতন’, খড়দহের সভা থেকে দিল্লি দখলের চ্যালেঞ্জ তৃণমূল নেত্রীর

খড়দহ বিধানসভার সূর্যসেন নগর খেলার মাঠের জনসভা থেকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরও তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রানওয়েতে প্রায় আধ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, এয়ারপোর্ট কন্ট্রোল বর্তমানে বিজেপির হাতে থাকায় তাঁর সফর বিলম্বিত করার চেষ্টা চলছে। এমনকি ঝাড়খণ্ডের নেতা হেমন্ত সোরেনের বিমানকেও একইভাবে ৪০ মিনিট আটকে রাখা হয়েছিল বলে তিনি সরব হন।

বিজেপির বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, বিমানবন্দরে বিজেপির অনুগতরা দায়িত্বে থাকায় বিরোধী নেতাদের প্রচারের সময় নষ্ট করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এয়ারপোর্টের কর্মীরা অন্যান্য বিমান নামানোর অছিলায় তাঁর গতিরোধ করেছেন যাতে তিনি যথাসময়ে জনসভায় পৌঁছাতে না পারেন। শুধু যাতায়াত নয়, সভার অনুমতির ক্ষেত্রেও বিজেপি বাধা সৃষ্টি করছে বলে তাঁর দাবি। এই ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

কেন্দ্র ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর আক্রমণ

নির্বাচনী প্রচারের এই মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সম্প্রতি ঝালমুড়ি খাওয়া এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়ে করা মন্তব্যকেও তীব্র কটাক্ষ করেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেন, মোদীর এই সাধারণ মানুষের মতো আচরণ আসলে পূর্বপরিকল্পিত নাটক এবং বাঙালি সংস্কৃতির ওপর হস্তক্ষেপ। ইভিএম কারচুপি ও এনআরসি প্রসঙ্গ টেনে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে ব্যালট বক্সের মাধ্যমেই এই আচরণের যোগ্য জবাব দেওয়া হবে।

এক ঝলকে

  • খড়দহের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন যে রানওয়েতে তাঁকে ৩০ মিনিট আটকে রাখা হয়েছিল।
  • এই বিলম্বকে বিজেপির রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এবং ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।
  • সভার অনুমতির ক্ষেত্রেও প্রশাসনের অসহযোগিতার বিষয়টি তিনি সবার সামনে তুলে ধরেন।
  • ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *