মৃত্যুপুরী থেকে ফেরা সেই শিশুর বিস্ময়কর রূপান্তর; ২০ বছর পর সামনে এল প্রিন্সের নতুন পরিচয়!
২০০৬ সালে হরিয়ানার কুরুক্ষেত্র জেলার হালদেহেরি গ্রামে ঘটে যাওয়া এক রুদ্ধশ্বাস ঘটনার স্মৃতি আজও দেশবাসীর মনে টাটকা। মাত্র চার বছর বয়সে খেলার ছলে ১০০ ফুট গভীর খোলা বোরওয়েলে পড়ে গিয়েছিল ছোট্ট প্রিন্স। ভারতীয় সেনাবাহিনীর টানা ৫০ ঘণ্টার এক অবিশ্বাস্য উদ্ধার অভিযানের পর তাকে অক্ষত অবস্থায় বের করে আনা সম্ভব হয়েছিল। সেই ঘটনার দুই দশক পর আবারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন আজকের ২৪ বছরের যুবক প্রিন্স।
বর্তমান জীবন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সম্প্রতি কুরুক্ষেত্রের সাংসদ নবীন জিন্দালের সাথে একটি ভিডিওতে প্রিন্সকে দেখা গেছে। সেখানে তিনি জানান, কুরুক্ষেত্রের পোলো গ্রাউন্ডে একটি ম্যাচ দেখতে এসে তিনি সাংসদের সঙ্গে মিলিত হন। বর্তমানে প্রিন্স তার আইটিআই (ITI) কোর্স সম্পন্ন করেছেন এবং পরবর্তী উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দিনমজুর বাবার সন্তান প্রিন্স তার জীবনকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
উদ্ধার অভিযানের প্রভাব ও সামাজিক বার্তা
প্রিন্সের এই উদ্ধার অভিযান ভারতে খোলা বোরওয়েলের বিপদ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক ছিল। সেনাবাহিনী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শিশুর প্রাণ ফিরে পাওয়ার ঘটনাটি সে সময় জাতীয় সংবাদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। নেটিজেনদের মতে, প্রিন্সের বর্তমান অবস্থান ও এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা সেই সময়ের উদ্ধারকারীদের পরিশ্রম এবং প্রিন্সের নিজস্ব অদম্য সাহসেরই প্রতিফলন।
हरियाणा के कुरुक्षेत्र के हल्दाहेड़ी गांव में प्रिंस नाम का 5 वर्षीय बच्चा 21 जुलाई 2006 को खेलते समय 50-60 फीट गहरे बोरवेल में गिर गया था।
— Anku Chahar (@anku_chahar) April 19, 2026
50 घंटे से अधिक चले भारतीय सेना के व्यापक रेस्क्यू ऑपरेशन के बाद उसे 23 जुलाई 2006 को सुरक्षित बाहर निकाल लिया गया था, जिसे देश में काफी… pic.twitter.com/V2KT57ZyLm
এক ঝলকে
- ২০০৬ সালে হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে ১০০ ফুট গভীর বোরওয়েলে পড়ে গিয়েছিলেন চার বছরের শিশু প্রিন্স।
- ভারতীয় সেনাবাহিনীর টানা ৫০ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে তিনি নতুন জীবন ফিরে পান।
- বর্তমানে ২৪ বছর বয়সী প্রিন্স আইটিআই সম্পন্ন করে উচ্চশিক্ষায় মনোযোগ দিয়েছেন।
- সাংসদ নবীন জিন্দালের সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।