বিদ্রোহীদের মিথ্যা প্রমাণের সুযোগ নয়, মমতার আবেদনে নড়েচড়ে বসল ঋতব্রত শিবির!
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ কারা, তা নির্ধারণে নির্বাচন কমিশনের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়ে সরাসরি কমিশনকে কড়া ভাষায় চিঠি দিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়ক সংখ্যার বিচারে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের এগিয়ে থাকার দাবি এবং বিধানসভায় ঋতব্রত বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি পাওয়ার পর এই দ্বন্দ্ব ঘনীভূত হয়েছে। গত ২২ জুন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন জবাব তলব করলে ৬ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা জমা দেন। তাঁর মূল দাবি, ২৫ জুলাইয়ের নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় বিদ্রোহী শিবিরকে যেন আর কোনো বাড়তি সময় না দেওয়া হয়।
কমিশনকে পাঠানো চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন যে, ঋতব্রত শিবিরকে এর আগে দুই দফায় সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বর্ধিত সময়সীমা শেষ হলেও বিরোধীদের কাছে কোনো সদুত্তর নেই, বরং বারবার সময় বাড়িয়ে দেওয়ার সুযোগে তাঁর ও তাঁর দলের বিরুদ্ধে মনগড়া তথ্য বা মিথ্যা প্রমাণ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও ত্রিপুরায় স্বীকৃত সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস তার অবস্থানে অটল রয়েছে উল্লেখ করে, গণতন্ত্র ও বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা বজায় রাখতে কমিশনকে দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আর্জি জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।