বাঁকিপুরের ১০ হাজার বেকারের মুখে হাসি, পিকে’র মাস্টারস্ট্রোকেই কি শেষ ৩০ বছরের দুর্গ!

বার্তা ডেস্কঃ

বাঁকিপুর: সাধারণ ধারণা অনুযায়ী ভোটের সাফল্য মেটার পরই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিগুলো ফিকে হয়ে যায়। কিন্তু সেই চেনা ছবি বদলে দিয়ে জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই কর্মসংস্থানের বড় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দিলেন জন সুরাজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোর (পিকে)। প্রায় তিন দশক ধরে বিজেপির শক্ত খাঁটি বলে পরিচিত বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হওয়ার পর এবার এলাকার ১০ হাজার বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি বাঁকিপুরে জয়ী হওয়ার পর ভোটারদের ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে পিকে জানান, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেসরকারি ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ তৈরি করাই তাঁর আসল লক্ষ্য। এই উদ্দেশ্যে এলাকার যোগ্য যুবক-যুবতীদের নিজ নিজ জীবনপঞ্জি (CV) তাঁর অফিসে জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তবে বিষয়টি নিয়ে একদম পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন জন সুরাজ প্রধান:

  • বেসরকারি ক্ষেত্রে সুযোগ: তিনি কোনো সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন না। নিজের যোগাযোগ ব্যবহার করে দেশের প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি সংস্থা বা শিল্পমহলে এই চাকরির ব্যবস্থা করবেন।
  • রাজ্যের বাইরে কাজ: কাজের তাগিদে প্রাথমিক পর্যায়ে যুবক-যুবতীদের বিহারের বাইরেও যেতে হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ৩ অগাস্ট বাঁকিপুর উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীকে প্রায় ১৯,৩২৪ ভোটে হারিয়ে পিকের এই ঐতিহাসিক জয় এসেছে। ভোটে জিতেই এলাকা থেকে তিনি গায়েব হয়ে গিয়েছেন—বিরোধীদের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পিকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এলাকা ছেড়ে কোথাও যাচ্ছেন না। আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই উন্নয়নের দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, প্রতি মাসে ১,১০০ টাকা পেনশন এবং রেশন সংক্রান্ত সুবিধাকে মূল লক্ষ্য বানিয়েই এবার বাঁকিপুরের রূপরেখা বদলাতে প্রস্তুত প্রশান্ত কিশোর।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *