হাজার জুতোর ভিড়ে নিখোঁজ চটি খুঁজলো এআই, তাজ্জব নেটপাড়ায়!
বার্তা ডেস্কঃ
দৈনন্দিন জীবনের জটিল হিসাব-নিকাশ কিংবা গুচ্ছ গুচ্ছ তথ্যের বিশ্লেষণ—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। কিন্তু এআই প্রযুক্তিকে যে এভাবেও ব্যবহার করা সম্ভব, তা বোধহয় খোদ নির্মাতা সংস্থাও কল্পনা করেনি! সম্প্রতি চ্যাটজিপিটির সাহায্যে হারিয়ে যাওয়া জুতো খুঁজে পাওয়ার এক অবিশ্বাস্য ও হাস্যরসের ঘটনা নেটদুনিয়ায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
ঘটনাটি ঘটে শুভং বোরকর নামের এক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সাথে। কোনো এক জায়গায় হাজার হাজার ছড়ানো-ছিটানো জুতোর ভিড়ে নিজের চটিটি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন তিনি। নিজের চোখে খুঁজে না পেয়ে শেষমেশ তিনি শরণাপন্ন হন চ্যাটজিপিটির! জুতোভর্তি সেই জায়গার একটি ছবি তুলে চ্যাটজিপিটিকে নিজের চটিটি চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন তিনি। আর আশ্চর্যজনকভাবে, মুহূর্তের মধ্যেই সেই ছবির জটলা থেকে নিখুঁতভাবে নিখোঁজ চটিটি চিহ্নিত করে দেয় এআই।
ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নেটজনতার মুখে হাসির ফোয়ারা ছুটেছে। বহু মানুষ এআই-এর এই তাৎক্ষণিক কার্যকারিতা দেখে অবাক হয়ে মজার মজার মন্তব্য করেছেন। কেউ রসিকতা করে লিখেছেন, “বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢেলে তৈরি চ্যাটজিপিটি যে শেষ পর্যন্ত চটি খুঁজতে লাগবে, তা হয়তো স্যাম অল্টম্যানও স্বপ্নে ভাবেননি!”
তবে এই ঘটনার পেছনে যেমন বিনোদনের খোরাক রয়েছে, তেমনি জেগেছে নতুন প্রশ্নও। নেটিজেনদের একাংশের মতে, সামান্যতম কাজেও প্রযুক্তির ওপর এই চরম নির্ভরতা মানুষকে দিন দিন অলস করে তুলছে।
সব মিলিয়ে, নিখোঁজ জুতো উদ্ধারের এই পুঁচকে ঘটনাটি যেমন নেটিজেনদের হাসিয়েছে, তেমনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রসায়ন নিয়েও উসকে দিয়েছে এক নতুন চর্চা।