জনগণনায় ভুল তথ্য দিলেই জেল-জরিমানা, সাবধান!
বার্তা ডেস্কঃ
২০২৭ সালের জনগণনা বা ‘সেন্সাস’ প্রক্রিয়া শুরু হতেই স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ১৯৪৮ সালের আদমশুমারি আইনের ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী, গণনাকারীদের জিজ্ঞেস করা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া প্রতিটি নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক। শিক্ষা, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন সরকারি কল্যাণমূলক নীতি নির্ধারণের স্বার্থেই সঠিক তথ্য চাওয়া হয়। কিন্তু কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যে তথ্য দেন, তথ্য লুকান কিংবা গণনাকারীর কাজে বাধা সৃষ্টি করেন, তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। উক্ত আইনের ১১ নম্বর ধারা মেনে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই প্রযোজ্য হতে পারে।
আইনের এই কঠোর নিয়ম শুধু সাধারণ মানুষের জন্যই নয়, জনগণনার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো গণনাকারী যদি ইচ্ছে করে সঠিক তথ্য পরিবর্তন করেন, কর্তব্য পালনে অস্বীকৃতি জানান বা অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, আধিকারিকরাও অপ্রাসঙ্গিক বা অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারবেন না। তাই জনগণনা চলাকালীন কোনো তথ্য অজানা থাকলে বানিয়ে না বলে সরাসরি ‘জানি না’ বলাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ। সঠিক তথ্য প্রদান করে জাতীয় পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ করা যেমন নাগরিক দায়িত্ব, তেমনই তথ্য গোপনের আইনি পরিণতি সম্পর্কে সজাগ থাকা অত্যন্ত জরুরি।