শনির সাড়ে সাতি ও ধাইয়ার অশুভ ছায়া থেকে মুক্তি, বাস্তু টোটকায় মিলবে বড়ঠাকুরের আশীর্বাদ!
বার্তা ডেস্কঃ
জন্মছকে শনির নজর বা সাড়ে সাতির প্রভাব থাকলে জীবনে নানা জটিলতা আসা স্বাভাবিক। জ্যোতিষশাস্ত্রে শনি কর্মফলদাতা হলেও বাস্তুশাস্ত্রের কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে তাঁর কোপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বাস্তুবিজ্ঞান অনুসারে, বাড়ির পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক অর্থাৎ নৈঋত কোণ সর্বদা পরিষ্কার ও মুক্ত রাখা উচিত। এই অংশে অপ্রয়োজনীয় জিনিস বা আবর্জনা জমিয়ে রাখলে মারাত্মক বাস্তুদোষ তৈরি হয়, যা শনির অশুভ প্রভাব দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি, বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বার পরিষ্কার রাখা এবং নিয়মিত ধূপ-দীপ জ্বালানো অত্যন্ত জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বজায় থাকে।
জীবনের জটিল বাধা কাটাতে শনিবারে বিশেষ কিছু টোটকা অত্যন্ত কার্যকরী। শনিদেবের প্রিয় দিকে অর্থাৎ বাড়ির দক্ষিণ বা পশ্চিম দিকে লোহার পাত্রে তিল তেল দিয়ে প্রদীপ জ্বালালে বাস্তুর দিক্শুদ্ধি ঘটে। এছাড়া অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষকে কালো তিল, বিউলির ডাল বা কালো কম্বল দান করলে গৃহের শক্তির ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। শনি ও রাহুর অশুভ প্রভাব কাটাতে শনিবার কাক ও কালো কুকুরকে খাবার দেওয়া এবং নিয়মিত হনুমান চালিশা পাঠ করা বিশেষ ফলদায়ক। মনে রাখবেন, সততা ও শৃঙ্খলাই শনিদেবকে তুষ্ট করার আসল চাবিকাঠি।