উৎসবের আগে চিনির দামে আগুন, সাধারণ মানুষের পকেটে টান!
বার্তা ডেস্কঃ
উৎসবের মরসুমে মিষ্টির বাজারে আগুন দাম এবং হু-হু করে বাড়তে থাকা চিনির মূল্যবৃদ্ধিতে লাগাম টানতে কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। কালোবাজারি ও মজুতদারি রুখতে কাঁচা চিনি আমদানির নিয়মে বড়সড় কড়াকড়ি করা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিদেশ থেকে কাঁচা চিনি আমদানির পর তা ঠিক দু’মাসের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে বিক্রি করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারেন, সে জন্যই এই সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি খুচরো বাজারে চিনির গড় দাম প্রায় ২৯ শতাংশ বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে কেজি প্রতি ৬৩ টাকার বেশি। মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, আখের খেতে পোকার আক্রমণ এবং উৎসবের মরসুমে চিনি জমানোর প্রবণতাকেই এই দরবৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাজার সামাল দিতে সরকার আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ১০ লক্ষ টন চিনি আমদানির ছাড়পত্রও দিয়েছে।
অন্যদিকে, চিনির এই অগ্নিমূল্যের পেছনে কেন্দ্রের ইথানল নীতিকে দায়ী করে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। তবে সরকার এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। ভারতীয় চিনি ও বায়ো-এনার্জি প্রস্তুতকারক সংস্থার মতে, দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত চিনির স্টক রয়েছে এবং সরকারের এই নতুন পদক্ষেপে খুব দ্রুত বাজারে চিনির দাম নাগালের মধ্যে চলে আসবে। খাদ্য মন্ত্রকের অনুমান, এ বছর উৎপাদন কিছুটা কমে ৩০৬ লক্ষ টন হতে পারে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট। সব মিলিয়ে, উৎসবের মিষ্টতা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের পকেটে টান পড়া আটকাতে এখন কড়া হাতেই বাজার সামলাতে তৎপর হয়েছে কেন্দ্র।