মৃত্যুমুখ থেকে ফেরা বিবেক আর ছোট্ট রিহানার অবিশ্বাস্য বেঁচে ওঠার গল্প!
বার্তা ডেস্কঃ
নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানের স্মৃতি এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে ২৪ বছর বয়সী বিবেক কুমালকে। কাজের সূত্রে বুধবার রাসুয়া জেলার বিদুরে একটি সদ্যনির্মিত বাড়িতে শৌচাগারের গর্ত খুঁড়ছিলেন তিনি। হঠাৎই ভেসে আসে জলের তীব্র গর্জন। সহকর্মীদের সতর্কবার্তায় গর্ত থেকে উঠে বিবেক দেখতে পান, চারদিকে কাদা-পাথরের তোড় ধেয়ে আসছে। প্রাণ বাঁচাতে ছুট লাগালেও শেষ রক্ষা হতো না, যদি না রাস্তার ধারের একটি আমগাছ তিনি শক্ত করে আঁকড়ে ধরতেন।
কাঠমান্ডুর ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারের শয্যায় শুয়ে আতঙ্কে শিউরে উঠে বিবেক জানান, “আমগাছটা না থাকলে আজ আর বেঁচে ফিরতাম না। আমি যেখানে কাজ করছিলাম, সেই বাড়িটা চোখের সামনে ধূলিসাৎ হয়ে গেল।”
একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১১ বছরের খুদে রিহানা লামিছানে। স্কুল থেকে ফেরার পথে জলের স্রোতে ভেসে গিয়ে গুরুতর চোট পায় সে। বেঁচে ফেরার স্বস্তি থাকলেও নিখোঁজ বন্ধুদের নিয়ে চিন্তিত সে। রিহানার মা রিতা চোখের জলে জানান, মেয়েকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পাওয়াই এখন তাঁদের কাছে সবচেয়ে বড় অলৌকিক ঘটনা।