জেলে পুরে রাজত্ব করার স্বপ্ন দেখা মূর্খামি, হুঙ্কার অভিষেকের!
বার্তা ডেস্কঃ
কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিটের পার্টি অফিস থেকে বেআইনি বিলবোর্ড খোলা কেন্দ্র করে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও সরকারি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে শেক্সপিয়ার সরণি থানায় হাজিরা দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে টানা সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর বিকেল পৌনে ৬টা নাগাদ থানা থেকে বেরিয়ে রাজ্য সরকার ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র বিরুদ্ধে একযোগে তীব্র তোপ দাগেন তিনি।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের কার্যালয়ে পুরকর্মী ও পুলিশ আধিকারিকরা বিলবোর্ড সরাতে গেলে বচসা শুরু হয়। পরবর্তীতে সরকারি কাজে বাধা এবং এক মহিলা পুলিশ কর্মীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়।
থানা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে অভিষেক শ্লীলতাহানির সমস্ত অভিযোগ পুরোপুরি নস্যাৎ করে দিয়ে বলেন, “আমাদের কাছে ঘটনার যাবতীয় ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। কোনো শ্লীলতাহানি হয়নি, বরং আমাদের কর্মী-সমর্থকদের টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।”
পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, “কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ প্রায় ১ হাজার লোক নিয়ে বিলবোর্ড খুলতে এসেছে! এত তৎপরতা থাকলে তারাপীঠের অগ্নিকাণ্ড ঘটত না। ভোটের ফল প্রকাশের পর আলিপুরের সরকারি অফিসে যখন আগুন লেগে চার হাজার ইভিএম পুড়ে গেল, তখন এই তৎপরতা কোথায় ছিল?”
তৃণমূল সাংসদের দাবি, বিরোধীরা চক্রান্ত করে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। রাজ্য সরকারকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে ডায়মন্ড হারবারের এই সাংসদ বলেন, “মানুষের ভোটে জিতে এসে এত কিসের ভয়? ভাবছেন আমাদের গ্রেপ্তার করে জেলে পুরে একচ্ছত্র রাজত্ব করবেন? এমনটা ভেবে থাকলে আপনারা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন।”