৫ ঘণ্টা জেরা শেষে থানা থেকে বেরিয়ে বিস্ফোরক অভিষেক, ফাঁস করলেন অত্যাচারের প্রমাণ!
বার্তা ডেস্কঃ
কলকাতা পুরসভার একটি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে পুলিশ ও পুরকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের তুমুল বচসা ও অশান্তি হয়। পুলিশ ও পুরকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া, মারধর এবং মহিলা পুলিশকর্মীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে শেক্সপিয়র সরণি থানায় তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে পুলিশ।
মঙ্গলবার শেক্সপিয়র সরণি থানায় দীর্ঘ ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছাড়া পান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। থানা থেকে বেরিয়েই তিনি বিজেপি সরকার, রাজ্য পুলিশ এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন।
অভিষেক জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। উল্টে পুলিশের বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, পুলিশকর্মীরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি দিয়ে ছেঁচড়ে নিয়ে গেছে এবং এর সমস্ত ভিডিও প্রমাণ তাঁদের কাছে রক্ষিত আছে।
এছাড়াও, ফায়ার অডিট ও পুলিশি সক্রিয়তা নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের পার্টি অফিসে যে পরিমাণ পুলিশি তৎপরতা দেখা গেছে, মির্জা গালিব স্ট্রিট বা আলিপুরের প্রশাসনিক ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় সেই তৎপরতা কোথায় ছিল?
পুলিশ প্রশাসনকে ‘দলদাস’ আখ্যা দিয়ে অভিষেক দাবি করেন, বিজেপি সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে ও নোটিশ ছাড়াই বেআইনিভাবে গ্রেফতার করছে। মুখ্যমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও বিরোধী দলের কর্মীদের ওপর এভাবে অত্যাচার ও গ্রেফতারির পেছনে তাঁদের এত কিসের ভয়?