WHO-তে বড় ধাক্কা, দুর্নীতির অভিযোগে ইস্তফা সায়মা ওয়াজেদের!
বার্তা ডেস্কঃ
September 10, 20265:33 pm
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর তাঁর পরিবারের সংকট আরও গভীর হলো। এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের অধিকর্তার পদ থেকে পদত্যাগ করলেন হাসিনা-কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। দুর্নীতির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে বেতনহীন ছুটিতে থাকার পর অবশেষে WHO প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাসের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।
কী কী অভিযোগ ছিল সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে? ২৪ সালের অগাস্টে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সায়মার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে উঠে আসে একাধিক মারাত্মক অভিযোগ:
- আর্থিক তছরুপ ও দুর্নীতি
- শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ভুল ও ভুয়া তথ্য প্রদান
- প্রশাসনিক অনিয়ম
ঘটনাপ্রবাহ ও বরখাস্তের তোড়জোড় ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাঁচ বছরের মেয়াদে এই পদে যোগ দিয়েছিলেন সায়মা ওয়াজেদ। কিন্তু দুর্নীতির তদন্ত শুরু হতেই ২০২৫ সালের জুলাই থেকে তাঁকে বেতনহীন ছুটিতে পাঠায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসেই তাঁকে পদ থেকে বরখাস্ত (Dismiss) করার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছিল WHO। তবে বরখাস্তের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই নিজে থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।
চিঠিতে কী লিখেছেন সায়মা? WHO প্রধানকে পাঠানো চিঠিতে সায়মা ওয়াজেদ দাবি করেছেন, দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়ায় তিনি চরম আর্থিক সংকটে ভুগছেন। পাশাপাশি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিরপেক্ষতা ও দায়বদ্ধতার ওপর থেকে তিনি আস্থা হারিয়েছেন বলেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন হাসিনা-কন্যা। তাঁর দাবি, তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করে এসেছেন।