৭ বছর পর ভারতে শি জিনপিং, মোদী-জিনপিং বৈঠকে কি বদলে যাবে বিশ্ব রাজনীতি?
বার্তা ডেস্কঃ
September 11, 20266:33 am
নয়া দিল্লি: দীর্ঘ সাত বছরের জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে ভারতের মাটিতে পা রাখতে চলেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ১৮তম ব্রিকস (BRICS) সামিটে যোগ দেবেন তিনি। বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে চিনা প্রেসিডেন্টের এই ভারত সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এক কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
মেগা সামিট ও বরফ গলার বার্তা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত ও চিনের মধ্যকার বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক বরফ গলতে শুরু করেছে। ব্রিকসের মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশই বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন (বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল) আরও সুদৃঢ় করার পরিকল্পনা করছে।
বাণিজ্যে নতুন রেকর্ড: ১৫১ বিলিয়ন ডলার পার বেইজিংয়ে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দুই দেশই নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে:
- মোট বাণিজ্য: ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৮.৩১% বৃদ্ধি পেয়ে ১৫১.১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- ভারতের রফতানি: চিনে ভারতের রফতানি বেড়ে হয়েছে ১৯.৪৭ বিলিয়ন ডলার।
- ভারত কত আমদানি করছে: চিন থেকে ভারতের আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩১.৬৩ বিলিয়ন ডলারে।
‘প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, উন্নয়নের অংশীদার’ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে দু’পক্ষই জোর দিচ্ছে। চিনের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক বার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ভারত ও চিন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রধান অংশীদার।
নয়া দিল্লির এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকে মোদী ও জিনপিংয়ের মুখোমুখি আলোচনা আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং বাণিজ্যের সমীকরণে কতটা বড় পরিবর্তন আনে, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।