বাগেশ্বর বাবার সম্পত্তির আসল সত্য জানলে চমকে যাবেন!
বার্তা ডেস্কঃ
September 13, 20265:33 am
বাগেশ্বর ধামের প্রধান পুরোহিত ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী ওরফে ‘বাগেশ্বর বাবা’ যেমন তাঁর বিভিন্ন বক্তব্যের জন্য খবরের শিরোনামে থাকেন, তেমনই তাঁর আয় ও সম্পত্তি নিয়েও কৌতুহলের শেষ নেই। সম্প্রতি হাওড়ার লিলুয়ায় এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দুর্গাপুজোর মণ্ডপের চারপাশে আমিষ খাবার বিক্রি বন্ধের আবেদন জানান তিনি। একই সঙ্গে নবরাত্রির সময়ে আমিষের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও স্থান বয়কটের ডাক দিলে বাংলায় খাদ্যরীতি ও সংস্কৃতি নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়।
এই বিতর্কের মাঝেই আবার প্রকাশ্যে এসেছে বড় একটি প্রশ্ন—আসলেই কত সম্পত্তির মালিক এই চর্চিত ধর্মগুরু?
নেটদুনিয়া ও একাধিক মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়, ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মোট সম্পত্তি বা ‘নেট ওয়ার্থ’ প্রায় ১৯ থেকে ২০ কোটি টাকা। কিছু জায়গায় এই অঙ্ক আরও অনেক বেশি বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে অন্য ছবি।
বাস্তবতা হলো, এই ১৯-২০ কোটি টাকার দাবিটি শুধুই বিভিন্ন মাধ্যমের আনুমানিক হিসেব (Media Estimate)। ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর প্রকৃত ব্যক্তিগত সম্পত্তির কোনো সরকারি অডিট রিপোর্ট বা আয়কর সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্য নীতিতে মেলেনি। ফলে এই নির্দিষ্ট অঙ্কটিকে চূড়ান্ত বা প্রমাণসিদ্ধ বলা চলে না।
তবে কেন তাঁর আয় নিয়ে এত আলোচনা?
বাগেশ্বর বাবার আয়োজনের পরিধি ও বিশাল ভক্তসংখ্যাই এই আলোচনার মূল উৎস। দেশজুড়ে তাঁর ‘দিব্য দরবার’ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়। বাগেশ্বর ধামকে ঘিরেও গড়ে উঠেছে একটি বড় অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ও ভক্তদের পরিষেবা ব্যবস্থা। তবে আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মন্দির বা সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় ট্রাস্টের আর্থিক লেনদেন আর ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।
সামগ্রিকভাবে, সোশ্যাল মিডিয়া ও মিডিয়াতে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর আয় ও জীবনযাপন নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও, বাস্তবে তাঁর মোট সম্পত্তির কোনো যাচাইকৃত সরকারি নথি প্রকাশ্যে নেই। অর্থাৎ, ১৯-২০ কোটি টাকার যে হিসেব ঘুরে বেড়াচ্ছে, তা স্রেফ একটি জল্পনা মাত্র।