একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘পরিস্থিতি আলাদা হলেও শিখতে পারি আমরা!’ মোদীকে কী আশ্বাস চিনা প্রেসিডেন্টের?
বার্তা ডেস্কঃ
September 13, 20261:34 pm
দীর্ঘ সাত বছরের দীর্ঘ ব্যবধান পেরিয়ে ভারতে অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে পা রাখলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদ। তবে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মূল আকর্ষণ ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে চিনা প্রেসিডেন্টের বহু প্রতীক্ষিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই মুখোমুখি আলোচনায় ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা, বাণিজ্যিক ভারসাম্য এবং যৌথ বিনিয়োগের মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি অত্যন্ত জোরালোভাবে উঠে আসে।
বৈঠকের শুরুতেই চিনা প্রেসিডেন্টকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বকালীন সময়ে চিনের কাছ থেকে প্রাপ্ত সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এর জবাবে সৌজন্যের সুর চড়িয়ে শি জিনপিং জানান, বিগত বছরগুলিতে দুই নেতার মধ্যে অনুষ্ঠিত ২১টি ধারাবাহিক আলোচনা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সবসময় একটি স্থিতিশীল উন্নয়নের পথে পরিচালিত করেছে।
বৈঠকে দুই দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ভিন্নতার কথা স্বীকার করে চিনা প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট জানান যে, মতপার্থক্য ভুলে দু’পক্ষই একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে পারে এবং পরস্পরকে সমর্থন জুগিয়ে যৌথ সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করতে পারে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর যৌথ দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও জানান, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল এই দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাঁধে বিশাল ঐতিহাসিক দায়িত্ব রয়েছে। সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বশান্তি, স্থায়িত্ব এবং সার্বিক সমৃদ্ধিতে ভারত ও চিনকে একযোগে ইতিবাচক অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন শি জিনপিং।