একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ আমিষভোজী’, ব্রিকস ডিনার নিয়ে সরব রাহুল
বার্তা ডেস্কঃ
September 13, 20266:33 pm
বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি তুলে ধরার আন্তর্জাতিক আসর ব্রিকস সম্মেলন ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত এই সামিটের প্রথম দিনের গালা ডিনারে বিশ্বনেতাদের জন্য কেবল নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হয়। আর এই বিষয়টিকে সামনে রেখেই নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে একটি ছোলে ভাটুরের ছবি শেয়ার করে রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেন, দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই আমিষভোজী। তাঁর দাবি, ভারতের আমিষ খাবার অত্যন্ত সুস্বাদু, যার উদাহরণ হিসেবে তিনি নিজের বোনের হাতের ছোলে ভাটুরের কথা উল্লেখ করেন। রাহুলের এই সুরেই সুর মিলিয়ে কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরা অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের পর এবার বিদেশি অতিথিদের ওপরও নিজেদের খাদ্যভ্যাস চাপিয়ে দিচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। ভারতের রন্ধনশৈলীতে বিশ্বমানের আমিষ পদ থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে তা তুলে ধরার সুযোগ হাতছাড়া করা হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।
অন্যদিকে, কংগ্রেসের এই সমালোচনাকে হাতেনাতে জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। এক্স হ্যান্ডেলে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, বিশ্বনেতাদের খাবারের মেনু নিয়েও এখন নোংরা রাজনীতি করছে কংগ্রেস। সম্মেলনে আগত বিদেশি অতিথিরা ভারতের ঐতিহ্যবাহী নিরামিষ খাবার অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করেছেন বলেই দাবি রিজিজুর। তাঁর মতে, এই নিরামিষ পদের মাধ্যমেই ভারতের আঞ্চলিক বৈচিত্র্য, সমৃদ্ধ স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পক্ষ থেকে আয়োজিত ওই ডিনারে খাণ্ডভি, পনির লাবাবদার, গুচ্চি মারমিক, মিলেট পোলাও, মাশরুম গলোটি এবং জিলিপির মতো এলাহি নিরামিষ পদের আয়োজন করা হয়েছিল। মূলত ভারতের ‘শ্রী অন্ন’ বা মিলেট নীতি এবং সুস্থায়ী জীবনধারার প্রচারকে প্রাধান্য দিতেই এই মেনু বেছে নেওয়া হয়েছিল। এদিকে রাহুল গান্ধীর ৮০ শতাংশ আমিষভোজীর দাবি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হলেও, এর আগে জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষার (NFHS-5) তথ্য অনুযায়ী দেশের সিংহভাগ মানুষের মধ্যেই আমিষ খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে বলে দেখা গেছে।