একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ভাষাগত বৈচিত্র্যই ভারতের আসল শক্তি! হিন্দি দিবসে অমিত শাহের জোর বার্তা
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20262:33 pm
ভারতের ভাষাগত বৈচিত্র্য কোনো দুর্বলতা নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব ও বহুত্ববাদী সংস্কৃতির আসল শক্তি। ‘হিন্দি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমনই জোরালো বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি স্পষ্ট জানান, আঞ্চলিক ভাষাগুলির পূর্ণ মর্যাদা, সঠিক প্রসার ও সুরক্ষা নিশ্চিত হলেই কেবল হিন্দির প্রকৃত অগ্রগতি সম্ভব।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, হিন্দি অন্য কোনো ভাষার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সমস্ত আঞ্চলিক ভাষাকে এক সুতোয় বাঁধার এক মজবুত সেতু। নিজের উদাহরণ টেনে গুজরাটিভাষী অমিত শাহ বলেন, মাতৃভাষা ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও হিন্দি তাঁকে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে থাকা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি জুড়ে যেতে সাহায্য করেছে। হিন্দি যেমন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, তেমনই দেশের প্রতিটি আঞ্চলিক ভাষার রয়েছে নিজস্ব সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং তরুণদের নৈতিক ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ করার ক্ষমতা।
তরুণ প্রজন্ম ও অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ বার্তা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনুরোধ জানান, বিশ্বমঞ্চ থেকে আধুনিক শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জন করলেও নিজেদের মূল মাতৃভাষাকে কোনোভাবেই বিসর্জন দেওয়া যাবে না। অভিভাবকদের উচিত বাড়িতে সন্তানদের সঙ্গে সর্বদা নিজ নিজ মাতৃভাষাতেই কথা বলা, কারণ ভাষাই মানুষকে তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও শিকড়ের সঙ্গে গভীরভাবে ধরে রাখে। ১৯৪৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর গণপরিষদ হিন্দিকে সরকারি ভাষার স্বীকৃতি দিয়েছিল, যা স্মরণ করেই প্রতি বছর দেশজুড়ে এই বিশেষ দিনটি পালিত হয়ে আসছে।