একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘স্থিতিশীল কিন্তু সংবেদনশীল’ সীমান্ত: চিনা সেনা কমলেও কড়া নজর দিল্লির
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20266:33 pm
নয়াদিল্লি: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর নিজেদের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে চিন। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের প্রকাশিত ২০২৫ সালের বার্ষিক রিপোর্টে এই তথ্য সামনে এসেছে। তবে সেনা কমলেও উত্তর সীমান্ত সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত নয় উল্লেখ করে সামগ্রিক পরিস্থিতিকে “স্থিতিশীল, কিন্তু সংবেদনশীল” বলে চিহ্নিত করেছে মন্ত্রক।
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সীমান্ত শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখাই যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার চাবিকাঠি—সে বিষয়ে দুই নেতাই একমত হন। সেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ঠিক পরদিনই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এই তাৎপর্যপূর্ণ রিপোর্টটি প্রকাশ্যে এল।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে দেপসাং এবং ডেমচকে ভারত ও চিনের মধ্যে যে ঐতিহাসিক সেনা প্রত্যাহার বা ‘ডিসএনগেজমেন্ট’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, মূলত তারই ফলশ্রুতিতে চিনা সেনা মোতায়েন দৃশ্যমানভাবে কমেছে। উত্তর সীমান্তের পাশাপাশি চিনের প্রথাগত প্রশিক্ষণ এলাকাগুলিতেও সামরিক উপস্থিতি আগের চেয়ে হ্রাস পেয়েছে।
তবে এই সেনা কমানোকে পূর্ণাঙ্গ পিছু হঠার সংকেত হিসেবে দেখতে নারাজ প্রতিরক্ষামন্ত্রক। রিপোর্টে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সীমান্তের কৌশলগত ও অপারেশনাল গভীরতায় চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এখনও প্রায় ১০টি ‘কম্বাইন্ড আর্মস ব্রিগেড’-এর সমপরিমাণ শক্তিশালী বাহিনী প্রস্তুত রেখেছে। একইভাবে তাদের প্রশিক্ষণ এলাকাগুলিতেও একই মাত্রার সেনা মোতায়েন রয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক কৌশলে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসেনি। অগ্রবর্তী এলাকা থেকে সেনা কমানো হলেও চিনের দ্রুত সেনা চালনা করার ক্ষমতা এখনও বহাল রয়েছে। উপরন্তু, এলএসি-র কাছাকাছি পরিকাঠামো উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জোরদার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বেজিং। ফলে সীমান্ত এখন আগের চেয়ে শান্ত হলেও ভারতের সামরিক নজরদারি ও সতর্কতায় কোনো ঢিল দেওয়া হচ্ছে না।