একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় মার্কিন টেক-একচেটিয়া রাজত্বে থাবা চিনের, চ্যাটজিপিটি-কে রুখতে জিনপিংয়ের ‘ওপেন সোর্স’ চাল!
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20268:03 pm
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ক্ষেত্রে মার্কিন সংস্থাগুলির একচ্ছত্র আধিপত্য গুঁড়িয়ে দিতে বড় পদক্ষেপ নিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সম্প্রতি ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে ‘ওপেন সোর্স’ বা মুক্ত-প্রযুক্তি জোট গড়ার ডাক দিয়েছে বেজিং। চ্যাটজিপিটি কিংবা ক্লোডের মতো অত্যন্ত ব্যয়বহুল আমেরিকান এআই মডেলের একচেটিয়া রাজত্ব ভেঙে বিশ্বব্যাপী এক যৌথ ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তির বাজার তৈরি করাই বেজিংয়ের মূল লক্ষ্য।
চিনের এই চাঞ্চল্যকর প্রস্তাবে বিশ্ব রাজনীতি ও প্রযুক্তি মহলে শোরগোল উঠলেও, নতুন দিল্লি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ভারত বরাবরই একক কোনও দেশের ওপর একপাক্ষিক নির্ভরতা না রেখে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, তথ্যের গোপনীয়তা এবং প্রযুক্তিগত সমতায় বিশ্বাসী। তবে চিনের এই প্রস্তাব ভারতের সামনে এক নতুন হিসাবনিকাশ দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
বর্তমানে প্রযুক্তি বিশ্বে এআই মূলত দুটি ধারায় বিভক্ত— চ্যাটজিপিটি-র মতো বাণিজ্যিক বন্ধ মডেল এবং মেটার ‘লামা’ বা চিনের ‘দীপসিক’-এর মতো সাশ্রয়ী ‘ওপেন ওয়েট’ মডেল। এই দুই ব্যবস্থার খরচের ফারাক আকাশপাতাল। ভারতের পাঁচ বছর মেয়াদি ‘ইন্ডিয়া-এআই মিশন’-এর মোট বাজেট যেখানে ১০,৩৭২ কোটি টাকা, সেখানে মার্কিন সংস্থা ‘ওপেনএআই’ এই বিপুল পরিমাণ অর্থ মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই খরচ করে ফেলে।
এমন পরিস্থিতিতে নিজস্ব এআই পরিকাঠামো গড়ে তুলতে ভারত ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্য সাশ্রয়ী ‘ওপেন ওয়েট’ বা মুক্ত প্রযুক্তির পথই একমাত্র বাস্তবসম্মত উপায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার, আমেরিকান প্রযুক্তির রাজত্ব ও চিনের এই চতুর কৌশলের মাঝে দাঁড়িয়ে ভারত নিজস্ব কোন স্বাধীন পথ বেছে নেয়।