একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘ওঁরা মঙ্গল গ্রহের বিজেপিতে ঢুকবেন!’ দলবদল জল্পনায় শমীক-কুণালের জোড়া তোপ
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20268:58 am
দুর্গাপুজোর আগেই কি রাজ্য রাজনীতিতে বড়সর ওলটপালট হতে চলেছে? কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়ার একটি বিস্ফোরক দাবিকে ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে। তাঁর দাবি, পুজোর আগেই নাকি এনসিপিআই-এর (NCPI) বিদ্রোহী সাংসদেরা বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। যদিও মিতালি বাগ ও শতাব্দী রায়ের মতো সাংসদেরা এই কথা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন।
এনসিপিআই-এর পটভূমি উল্লেখ্য, নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষের জেরে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে বিদ্রোহী সাংসদেরা নতুন দল ‘এনসিপিআই’ গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় এনডিএ (NDA) জোটকে সমর্থন জানান। সেই দল থেকেই এবার বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা নতুন করে উসকে দিলেন জগদীশ বসুনিয়া।
তৃণমূলের তীব্র আক্রমণ এই জল্পনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় কিছুটা সাবধানী অবস্থান নিয়েছেন। তবে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “এরা নীতিহীন গদ্দার। বিজেপি সরাসরি না নিয়ে ওদের এনসিপিআই-তে পাঠিয়েছিল, এখন সরাসরি ঢুকতে চাইছে।”
উড়িয়ে দিল বিজেপি অন্যদিকে, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই দাবি একপ্রকার হেসেই উড়িয়ে দিয়েছেন। ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, চাইলেই যাকে-তাকে দলে নেওয়া হবে না। তাঁর কটাক্ষ, “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা ভাবছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি!”