একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘১৫ বছর পর স্বপ্নপূরণ!’ বাংলায় বিশ্বমানের ফুটবল অ্যাকাডেমি গড়ছেন মিঠুন চক্রবর্তী
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20269:50 am
কলকাতা: বাংলার ময়দানকে আবার তার পুরানো ঐতিহ্য ও বিশ্বমানের ফুটবলার ফিরিয়ে দিতে এক ঐতিহাসিক মেগা উদ্যোগ নিলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। কলকাতায় আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে বিশ্বমানের ‘বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমি’ (Bengal Football Academy)। সোমবার এক বিশেষ সাংবাদিক সম্মেলনে এই বড় ঘোষণা করেন বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা।
এই বিশেষ সাংবাদিক বৈঠকে মিঠুন চক্রবর্তীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বাংলার ফুটবলের প্রবাদপ্রতিম প্রাক্তন তারকা কম্পটন দত্ত, মিহির বসু এবং অমিত ভদ্র।
১৫ বছরের দীর্ঘ লড়াই ও স্বপ্নপূরণ অ্যাকাডেমি গড়ার দীর্ঘ সংগ্রামের কথা তুলে ধরে মিঠুন কিছুটা আক্ষেপের সুরেই জানান, এই উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা তাঁর বহু পুরনো। কিন্তু বিগত ১৫ বছর ধরে প্রশাসনিক নানা জটিলতা ও সহযোগিতার অভাবে জমি মেলেনি। তবে সব বাধা কাটিয়ে অবশেষে স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে চলেছে। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে এবং সরকারি প্রক্রিয়া শেষ হলেই কলকাতার বুকেই একটি উপযুক্ত মাঠ বেছে নেওয়া হবে।
পাহাড় থেকে জঙ্গলমহল: সেরা ৬০ রত্নের খোঁজ এই অ্যাকাডেমির মূল লক্ষ্য হলো শহরের গণ্ডি পেরিয়ে গ্রামবাংলা ও প্রান্তিক এলাকা থেকে আসল প্রতিভাকে খুঁজে আনা।
- স্কাউটিং টিম: প্রাক্তন তারকা ফুটবলারদের একটি বিশেষ টিম রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ঘুরে খেলোয়াড় বাছাই করবেন।
- বিশেষ প্রাধান্য: উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে শুরু করে জঙ্গলমহল ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের উদীয়মান কিশোরদের বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হবে।
- আবাসিক প্রশিক্ষণ: প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত সেরা ৬০ জন ফুটবলারকে এই অ্যাকাডেমিতে রেখে আন্তর্জাতিক মানের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
মহাগুরু অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, আগামী ১ থেকে ২ বছরের মধ্যেই এই ৬০ জন তরুণ তুর্কি জাতীয় পর্যায়ের জুনিয়র দলে খেলার মতো নিজেদের সম্পূর্ণ তৈরি করে ফেলবে। মিঠুনের এই মেগা পদক্ষেপে নতুন আশা দেখছেন বাংলার ক্রীড়াপ্রেমীরা।