একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ইউপিআই লেনদেনে মাশুল? মোদী সরকারকে তীব্র তোপ রাহুলের
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20267:42 pm
ইউপিআই (UPI) লেনদেনে কি তবে বন্ধ হতে চলেছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া পরিষেবা? কেন্দ্রীয় সরকারের সাম্প্রতিক এক নির্দেশিকাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মনে চরম ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ২০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন মাশুলহীন রাখার কথা বলা হলেও, তার বেশি অংকের লেনদেনের ভবিষ্যৎ কী—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। আর এই আবহেই নরেন্দ্র মোদী সরকারকে আড়াআড়ি আক্রমণ শানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
গোপনে মাশুল চাপানোর অভিযোগ
কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর দাবি, মোদী সরকার সম্পূর্ণ চুপিসাড়ে ইউপিআই লেনদেনের উপর মাশুল বসানোর রাস্তা তৈরি করছে। এক্স (X) হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ২০০০ টাকার বেশি লেনদেনে এমডিআর (MDR) ধার্য করার সুযোগ রাখা হয়েছে। সংখ্যার বিচারে এগুলি মোট লেনদেনের মাত্র ৫ শতাংশ হলেও, ইউপিআই-এর মাধ্যমে হওয়া মোট অর্থমূল্যের প্রায় ৬৫ শতাংশই আসে এই বড় লেনদেনগুলি থেকে।
ঘুরপথে আমজনতার ঘাড়েই বোঝা
সরকার সরাসরি গ্রাহকদের থেকে মাশুল না নেওয়ার কথা বললেও, রাহুল এর পেছনের জটিল হিসাব তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, এই মাশুল যদি দোকানদার বা মার্চেন্টদের ওপর চাপানোও হয়, তবে সেই অতিরিক্ত খরচ ঘুরপথে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের সঙ্গে যুক্ত হবে। ফলে দিনশেষে আর্থিক বোঝা সাধারণ মানুষের পকেট থেকেই কাটা যাবে।
মার্কিন চাপের কাছে নতিস্বীকার?
কংগ্রেস নেতার বিস্ফোরক অভিযোগ, মার্কিন পেমেন্ট কো ম্পা নিগুলি শুরু থেকেই ভারতের ‘জিরো-এমডিআর’ নীতির কড়া বিরোধিতা করে আসছিল। সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও একবার বিদেশি শক্তির চাপের কাছে নতিস্বীকার করে নীতি পরিবর্তনের এই সুযোগ করে দিচ্ছেন।
অস্পষ্টতায় বাড়ছে অস্বস্তি
যদিও কেন্দ্রের তরফে ব্যাঙ্ক ও পেমেন্ট সংস্থাগুলিকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন এবং রূপে (RuPay) কার্ড ব্যবহারে কোনও মাশুল না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তবুও ২০০০ টাকার বেশি অংকের লেনদেনে পাকাপাকিভাবে চার্জ বসবে কি না—তা নিয়ে অর্থ মন্ত্রক এখনও স্পষ্ট কিছু জানায়নি। দীর্ঘ দিন ধরে নিখরচায় ইউপিআই ব্যবহার করে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারের এই পদক্ষেপ ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র উদ্বেগ ও বিতর্ক।