একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় আইনি জট শেষ! পুজোর মুখেই সবুজ সংকেত বাগবাজার সার্বজনীনে
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20268:12 pm
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর আর মাত্র বাকি কয়েকটা দিন। ঠিক তার মুখেই আইনি জটিলতার ঘনঘটা কাটিয়ে অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল শতবর্ষ প্রাচীন উত্তর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বাগবাজার সার্বজনীন। পুজো কমিটির গঠন প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ আইনানুগ আখ্যা দিয়ে নিম্ন আদালতের নির্দেশই বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্ট।
কী ঘিরে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক? বাগবাজারের ক্লাব ও পুজো পরিচালনার জন্য ১৪ সদস্যের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের ভোটগ্রহণে জটিলতা দেখা দেয়। ১২ জন সদস্যের মধ্যে চারজনের ভোট সংখ্যা সমান হয়ে পড়ে, যার মধ্যে আটকে যায় সম্পাদক পদও। জল গড়ায় সিটি সিভিল কোর্টে। নিম্ন আদালতের নির্দেশে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ‘কাস্টিং ভোট’-এর মাধ্যমে জট ছাড়ানো হলেও, সেই প্রক্রিয়াকে বেআইনি দাবি করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ক্লাব সদস্য রবিশঙ্কর সেনগুপ্ত ও তাঁর সহযোগীরা।
হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় ও স্বস্তি মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য মামলার শুনানি শেষে মামলাকারীদের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কাস্টিং ভোটের পদ্ধতি সম্পূর্ণ সঠিক এবং নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে নিমেষেই কেটে যায় পুজো হওয়া না-হওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া যাবতীয় দোলাচল।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালেও পুজোর ঠিক ২৮ দিন আগে একই ধরণের আইনি আইটে আটকে গিয়েছিল বাগবাজার, যা শেষ মুহূর্তে মেটে। স্বয়ং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতিধন্য এই পুজোর ওপর থেকে আইনি বাঁধা সরতেই আনন্দে মেতেছেন পুজোপ্রেমীরা। হাইকোর্টের সবুজ সংকেত মিলতেই এখন পুরোদমে মণ্ডপে ঢাকে কাঠি পড়ার প্রস্তুতি শুরু।