একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় আয়ুষ্মান ভারত কার্ড: কীভাবে পাবেন ৫ লাখ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা? জানুন আবেদনের পদ্ধতি
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 202610:58 am
দেশের আর্থিক ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চালু রয়েছে ‘আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ (PM-JAY)। এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীরা প্রতি বছর পরিবারপিছু সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস ও পেপারলেস চিকিৎসার সুযোগ পান।
প্রধান সুবিধাসমূহ:
- ক্যাশলেস চিকিৎসা: সারা দেশের প্রায় ২৮ হাজারেরও বেশি তালিকাভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে সেকেন্ডারি ও টার্সিয়ারি স্তরের চিকিৎসা পাওয়া যায়।
- প্রথম দিন থেকেই কভারেজ: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের মতো পূর্বে থাকা রোগের (Pre-existing conditions) ক্ষেত্রে কোনো ওয়েটিং পিরিয়ড নেই; প্রথম দিন থেকেই কভারেজ পাওয়া যায়।
- প্রাক ও পরবর্তী খরচ: হাসপাতালে ভর্তির ৩ দিন আগের এবং ছাড়ার পর ১৫ দিনের ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দিষ্ট খরচ এই বিমার আওতায় অন্তর্ভুক্ত।
- জাতীয় পোর্টেবিলিটি: এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের যেকোনো রাজ্যে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব। পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দারাও ভারতের যেকোনো তালিকাভুক্ত হাসপাতালে এর সুবিধা পাবেন।
- সদস্য বা বয়সের সীমা নেই: পরিবারের সদস্য সংখ্যা, বয়স বা লিঙ্গের ওপর কোনো বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি।
কারা আবেদনের যোগ্য? আয়ুষ্মান ভারতের যোগ্যতা মূলত ২০১১ সালের ‘সামাজিক-অর্থনৈতিক ও জাতি শুমারি’ (SECC 2011)-র তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়:
- গ্রামীণ এলাকার কাঁচা বাড়িতে বসবাসকারী পরিবার।
- ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সি কোনো প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ বা কর্মক্ষম সদস্য না থাকা পরিবার।
- ভূমিহীন দিনমজুর পরিবার এবং নির্দিষ্ট তফসিলি জাতি (SC) ও তফসিলি উপজাতি (ST) ভুক্ত পরিবার।
আবেদন ও কার্ড সংগ্রহের সহজ উপায়: ১. আপনার স্থানীয় আশা (ASHA) কর্মীর কাছ থেকে আয়ুষ্মান ভারতের ফর্ম সংগ্রহ করে তা সঠিকভাবে পূরণ করুন। ২. পূরণ করা ফর্মটি আশা কর্মীর কাছে জমা দিলেই তিনি তা সংশ্লিষ্ট বিডিও (BDO) অফিসে বা পৌরসভায় জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। ৩. এরপর ই-কেওয়াইসি (e-KYC)-র মাধ্যমে তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হলে অনলাইন পোর্টাল থেকে নিজে ডাউনলোড করে অথবা আশা কর্মীর মাধ্যমেই আয়ুষ্মান ভারত কার্ড পেয়ে যাবেন।