একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘নন্দীগ্রামের বিনিময়ে রেজিনগর?’ প্রদীপের দাবিতে সরগরম বঙ্গ রাজনীতি!
বার্তা ডেস্কঃ 
আসন্ন ৬ অক্টোবরের উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চড়ছে পারদ। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্যের এক বিস্ফোরক দাবিতে ঘাসফুল ও হাত শিবিরের অন্দরে চরম অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।
প্রদীপ ভট্টাচার্যের বিস্ফোরক দাবি: প্রদীপ ভট্টাচার্যের বক্তব্য, উপ-নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার প্রায় ১৫ দিন আগে তৃণমূলের তরফে দিল্লির দরবারে একটি বিশেষ প্রস্তাব পাঠানো হয়। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর কেন্দ্রটি নিজেদের দখলে রাখার বিনিময়ে নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দিতে চেয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। সূত্রের খবর, এই নিয়ে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছিল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেণুগোপালের।
প্রদেশ কংগ্রেসের অবস্থান: দিল্লি হাইকমান্ড এ বিষয়ে রাজ্য নেতৃত্বের মতামত চাইলে সোজা ‘না’ বলে দেন প্রবীণ নেতারা। কংগ্রেসের এক বড় অংশের মতে, রাজ্যে তৃণমূল ব্যাকফুটে থাকা অবস্থায় কোনো সমঝোতায় যাওয়া আত্মঘাতী হবে। বরং নিজেদের হারানো রাজনৈতিক জমি পুনরুদ্ধার করতে এককভাবেই ময়দানে লড়বে দল।
তৃণমূলের পাল্টা জবাব: প্রদীপ ভট্টাচার্যের এই দাবিকে সম্পূর্ণ অলীক ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সাফ জানিয়েছেন, এমন কোনো প্রস্তাব তৃণমূলের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।
নন্দীগ্রামের ভোট সমীকরণ: শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগের কারণে নন্দীগ্রামে এবং হুমায়ুন কবীরের দলত্যাগে রেজিনগরে এই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নন্দীগ্রামে এবার লড়াই চতুর্মুখী:
- তৃণমূল কংগ্রেস: সঞ্চিতা প্রধান (দে)
- কংগ্রেস: মিলন প্রধান
- বিজেপি: হাসিরাণী রথ
- তৃণমূল বিদ্রোহী শিবির: মহম্মদ এতেসামূল হক
প্রদেশ কংগ্রেস তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে লড়াইয়ে নামলেও, উপ-নির্বাচনের ঠিক মুখেই এই জোট-বিতর্ক নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের রাজনৈতিক পারদ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।