একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘কোনও অপরাধ হয়নি’, রাজ্যের রিপোর্টের ভিত্তিতে মমতার বিতর্কিত মন্তব্য মামলা উড়িয়ে দিল আদালত
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20262:30 pm
ধর্মতলার সভা থেকে বাংলাদেশ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা বিতর্কিত মন্তব্যের জল গড়াল না আর বহুদূর। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাটি বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি শেষে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। বুধবার রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে একটি রিপোর্ট জমা দিয়ে জানানো হয়, ধর্মতলার মঞ্চে দেওয়া মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে কোনও আদালতগ্রাহ্য অপরাধ সংঘটিত হয়নি। রাজ্য প্রশাসনের এই যুক্তি মেনে নিয়েই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ মামলাটি খারিজ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
এর আগের শুনানিতে হাই কোর্ট স্পষ্ট উষ্মা প্রকাশ করে বলেছিল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বা ব্যক্তিগত কারণে জনস্বার্থ মামলাকে ‘হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা বাড়ছে। যা কিছু বলা হবে, তা-ই আদালত শুনবে—এমন ধারণা তৈরি হওয়া উচিত নয়।
কী ঘটেছিল ধর্মতলার মঞ্চে?
গত ২ জুন ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশে অপরাধ ঘটিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে বাংলায় ঢুকে পড়া এক বড় দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছিল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। সেই ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে নিজে ফোন করে খবরটি বাইরে না ছড়ানোর অনুরোধ করেছিলেন বলেও দাবি করেন মমতা।
মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর অভ্রতনু সরকার নামের এক ব্যক্তি হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। তবে রাজ্যের রিপোর্ট এবং আদালতের কঠোর পর্যবেক্ষণের পর আইনি জট কেটে মামলাটির পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তি ঘটল।