ক্যানসার জয়ে নতুন দিশা! কার-টি সেল থেরাপিতে ফিরছে বাঁচার আশা
September 17, 2026
বার্তা ডেস্কঃ
September 17, 20262:48 pm
লিউকেমিয়া মানেই আর কেবল দীর্ঘমেয়াদী কেমোথেরাপির যন্ত্রণা বা লাগামহীন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়। রক্তের এই ক্যানসারের চিকিৎসায় আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এনেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। এখন চিকিৎসকরা কেবল রোগীর বয়স বা সাধারণ শারীরিক পরিস্থিতি দেখে নয়, ক্যানসার কোষের জিনগত ও আণবিক বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করে নির্দিষ্ট চিকিৎসাপদ্ধতি বেছে নিচ্ছেন।
- টার্গেটেড থেরাপির প্রভাব: নতুন যুগের ওষুধ সরাসরি ক্যানসার কোষের ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্যগুলোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করে। ফলে সাধারণ কেমোথেরাপির ওপর নির্ভরতা কমছে এবং অনেক ক্ষেত্রে মুখে খাওয়ার ওষুধেই রোগকে দীর্ঘ দিন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে।
- কার-টি (CAR-T) থেরাপির বিপ্লব: জটিল ও পুরনো চিকিৎসায় সাড়া না দেওয়া ক্যানসারের ক্ষেত্রে এই থেরাপি আশীর্বাদস্বরূপ। এতে রোগীর শরীর থেকে প্রতিরোধক কোষ সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে সেটির জিনগত পরিবর্তন ঘটানো হয়, যেন তা ক্যানসার কোষ চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে পারে। এরপর সেই কোষ পুনরায় রোগীর শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- স্টেম সেল প্রতিস্থাপন ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা: উচ্চ ঝুঁকির ক্ষেত্রে বোন ম্যারো বা স্টেম সেল প্রতিস্থাপন এখনও অন্যতম প্রধান ভরসা। তবে আগের চেয়ে এই প্রক্রিয়াকে আরও নিরাপদ করা সম্ভব হয়েছে।
আধুনিক লিউকেমিয়া চিকিৎসা এখন আর নির্দিষ্ট একটি ছকে সীমাবদ্ধ নেই। ওষুধ ও প্রযুক্তির পাশাপাশি পুষ্টি, মানসিক ভারসাম্য এবং শারীরিক সক্রিয়তার সমন্বয়ে রোগীর জন্য উপযুক্ত ও নির্দিষ্ট চিকিৎসাপদ্ধতি গড়ে তোলাই এখন চিকিৎসাবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য।