তৃণমূলের প্রতীক কি হাতছাড়া হতে চলেছে?
September 17, 2026
বার্তা ডেস্কঃ
September 17, 20266:24 pm
তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার দখলে থাকছে, তা নিয়ে দিল্লির নির্বাচন কমিশনে দীর্ঘ বৈঠকের পরও কোনও চূড়ান্ত ফয়সালা হয়নি। শুক্রবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়—দুই শিবিরের পেশ করা নথিপত্র স্ক্রুটিনি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের সম্ভাব্য পদক্ষেপ ও আইনি দিক
- প্রতীক ফ্রিজ হওয়ার আশঙ্কা: ১৯৬৮ সালের ‘ইলেকশন সিম্বলস অর্ডার’-এর ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে কোন পক্ষ স্বীকৃত দল হিসেবে গণ্য হবে। আইনি বিশ্লেষকদের মতে, সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হলে শিবসেনা বা এনসিপি-র সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার মতো কমিশন আপাতত জোড়াফুল প্রতীকটি ‘ফ্রিজ’ (স্থগিত) করে দিতে পারে।
- অস্তিত্বের লড়াই: প্রতীক পাওয়ার এই সংঘাত কেবল একটি নির্বাচনী চিহ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; নির্বাচন কমিশন কাকে ‘প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে, তার ওপর দলের প্রাতিষ্ঠানিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
উপনির্বাচনে সরাসরি প্রভাব
- নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর পরীক্ষা: আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে দুই পক্ষই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। প্রতীক সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত না এলে দুই গোষ্ঠী কোন প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, তা নিয়ে জটিলতা তুঙ্গে।
শিবিরের প্রতিক্রিয়া ও রাজনৈতিক পারদ কমিশনের বৈঠক শেষে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁরা সমস্ত নথি জমা দিয়েছেন এবং প্রতীক পাওয়ার বিষয়ে ১০০% আশাবাদী। অন্যদিকে, মমতাপন্থী শিবিরের নালিশের ভিত্তিতে ঋতব্রত শিবিরের ১০ জন বিধায়কের পদ খারিজের আবেদনের প্রক্রিয়াও সমান্তরালভাবে জট বাড়াচ্ছে।