IVF করালেই মা হওয়া নিশ্চিত? কোন নারীদের বাড়ল বিপদের ঝুঁকি!
বার্তা ডেস্কঃ
বর্তমান সময়ে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দূর করে মাতৃত্বের স্বপ্নপূরণে আইভিএফ (IVF) পদ্ধতি এক যুগান্তকারী সমাধান। চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির দৌলতে বহু নিসন্তান দম্পতির কোল আলো হলেও, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক ঝুঁকিও। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের স্পষ্ট মত—আইভিএফ চিকিৎসা কিন্তু সবার শরীরে সমানভাবে কাজ করে না এবং সবার জন্য এটি সমান নিরাপদও নয়।
কারা রয়েছেন বেশি ঝুঁকিতে? সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু বিশেষ শারীরিক সমস্যা বা পূর্বের জটিলতা থাকা নারীদের ক্ষেত্রে আইভিএফ প্রক্রিয়া চলাকালীন বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন হয়। ডিম্বাণু তৈরির জন্য উচ্চমাত্রার হরমোন ইনজেকশন দেওয়া এবং চিকিৎসার একাধিক ধাপে শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার কারণে ওভারিয়ান হাইপারস্টিমুলেশন সিন্ড্রোম (OHSS)-এর মতো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ:
- শারীরিক ইতিহাস পরীক্ষা: যেকোনো আইভিএফ চিকিৎসা শুরু করার আগে নিজের শারীরিক পরিস্থিতি ও আগের রোগব্যাধির ইতিহাস ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া দরকার।
- নিয়মিত নজরদারি: পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়াজুড়ে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে থাকা এবং যেকোনো অস্বাভাবিক শারীরিক জটিলতায় দ্রুত পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
সন্তানের মুখ দেখার আনন্দ উপভোগ করার পাশাপাশি নিজের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানোই হওয়া উচিত প্রধান অগ্রাধিকার। তাই সঠিক সচেতনতা ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সঠিক দিকনির্দেশনাই পারে এই যাত্রাকে নিরাপদ করে তুলতে।