নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে হাইভোল্টেজ উপনির্বাচন, হিংসা রুখতে ময়দানে ৭১ কোম্পানি বাহিনী!
বার্তা ডেস্কঃ
একুশের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনও বাংলা দেখেছে একদম শান্তিপূূর্ণ। এবার সেই ট্রেন্ড বজায় রেখে রাজ্যের দুই হেভিওয়েট কেন্দ্র—পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপনির্বাচন করাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন। উপনির্বাচনেও রাজ্য পুলিশের বদলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপরই পূর্ণ আস্থা রাখছে কমিশন।
নিরাপত্তার চাদরে মুড়েছে দুই কেন্দ্র মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। ভোট যাতে সম্পূর্ণ অবাধ ও রক্তপাতহীন হয়, তার জন্য দুই কেন্দ্রে মোট ৭১ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
- নন্দীগ্রাম: ৩৭ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৩১৫টি বুথ। (মোট ভোটার: পুরুষ ১,৩৮,৯৫৫; মহিলা ১,২৭,৪৬৩; তৃতীয় লিঙ্গ ১)
- রেজিনগর: ৩৪ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ২৮২টি বুথ। (মোট ভোটার: পুরুষ ১,৩৫,০১৪; মহিলা ১,২২,৬৩৮; তৃতীয় লিঙ্গ ৫)
আগামী ৯ অক্টোবর ঘোষিত হবে এই দুই কেন্দ্রের ভাগ্য নির্ধারণের ফল।
কেন হচ্ছে এই উপনির্বাচন? গত নির্বাচনে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। তবে আইনি নিয়মে একটি আসন ছাড়তে হওয়ায় তিনি ভবানীপুর রেখে নন্দীগ্রাম পদটি ছেড়ে দেন।
অন্যদিকে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর রেজিনগর ও নওদা দুটি আসনেই জয় পেয়েছিলেন। তিনিও নওদা আসন রেখে রেজিনগর ছেড়ে দেন। নিয়ম মেনে খালি হওয়া এই দুই আসনেই এবার উপনির্বাচন সম্পন্ন করছে কমিশন।