আদিবাসী ঘরে মা ভবতারিণীর মাছের ভোগ, দুর্গাপুরের এই পুজোয় চমকে দেয় নিয়ম!

বার্তা ডেস্কঃ

কানে ভেসে আসছে খোল-করতালের সুর ও হরিনাম সংকীর্তন, আর তার মাঝেই ঠাকুর দালানে ধীরে ধীরে রূপ পাচ্ছে মৃন্ময়ী প্রতিমা। সাধারণত আদিবাসীরা প্রকৃতির আরাধনা ও বিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, রাঢ়বঙ্গের কাঁকসার হরিকি আদিবাসী পরিবারে বছরের পর বছর ধরে ভাঙছে চেনা ছক। অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সেখানে পুজো হয়ে আসছে মা ভবতারিণীর। প্রকৃতির কোলে দেবী এখানে ধরা দেন অনন্য মহিমায়, আর আদিবাসী পরিবারে মহাসমারোহে মৎস্যমুখ করেন স্বয়ং মহামায়া।

পরিবারের দুই আদিবাসী যুবক রবীন্দ্রনাথ হাঁসদা ও জগন্নাথ হাঁসদার নিজ হাতে তৈরি প্রতিমা ঘিরেই জমে ওঠে এই পুজোর চারদিন। কথিত রয়েছে, স্বপ্নাদেশের মাধ্যমেই তাঁদের ঘরে আবির্ভাব ঘটেছে মায়ের। এই পুজোর বিশেষত্ব হলো, এখানে কোনো পশুর বলি দেওয়ার প্রথা নেই, বরং খাঁটি নিয়মে মাছ দিয়েই মাকে ভোগ নিবেদন করা হয়। গৃহকর্তা বলাই হাঁসদার মতে, মায়ের কৃপায় ও সুরক্ষায় তাঁরা এই ধারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অত্যন্ত ভক্তিভরে পালন করে চলেছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *