বিএমডব্লিউ গাড়ি না স্বামীর বন্ধু, মেদিনীপুরের গৃহবধূর মৃত্যুতে আসল সত্যটা কী!

বার্তা ডেস্কঃ

মেদিনীপুরের বধূ স্নেহা চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধারের পর থেকেই দানা বেঁধেছে রহস্য। আদালতে অভিযুক্ত স্বামী রণদীপের আইনজীবীর দাবি, নিজের টাকাতেই বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ গাড়ি কিনেছিলেন রণদীপ, এর জন্য বাপের বাড়ি থেকে কোনো টাকা দাবি করা হয়নি। গাড়ি কেনাকে কেন্দ্র করেই মূলত দম্পতির মধ্যে অশান্তি শুরু হয় এবং তার জেরে স্নেহা চরম সিদ্ধান্ত নেন বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, রণদীপের এক বন্ধু বশারের বিরুদ্ধেও স্নেহাকে মারধর ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যার খোঁজে বর্তমানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

ঘটনার সূত্রপাত গত ডিসেম্বরে, যখন পরিবারের সম্মতিতে স্নেহার সঙ্গে রণদীপের বিয়ে হয়। স্নেহার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই রণদীপের চাহিদা বাড়তে থাকে এবং সম্প্রতি বাপের বাড়ি থেকে ১০ লক্ষ টাকা আনার জন্য স্নেহার উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। এর মাঝেই বন্ধু বশারের সঙ্গে মিলে রণদীপ বিলাসবহুল গাড়ি কেনেন এবং তাঁদের ওপর মারধরের অভিযোগও ওঠে। গত ১০ অক্টোবর রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকেই স্নেহার মরদেহ উদ্ধার হয়। যদিও স্নেহার বাবার অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে খুন করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত স্বামী পুলিশের হেফাজতে থাকলেও ঘটনার নেপথ্যে থাকা বন্ধু বশার পলাতক থাকায় এই রহস্যের জট পুরোপুরি কাটেনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *