একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় সৌদির পাশে দাঁড়ানোয় মিশরের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের হাউথিদের কড়া হুঙ্কার, ঘনাচ্ছে গভীর সংকট
বার্তা ডেস্কঃ
দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান সৌদি-হাউথি সংঘাত এবার আরও এক ভয়াবহ মোড় নিল। ইয়েমেনের বাব-আল মান্দেব প্রণালীসহ একাধিক অঞ্চল দখল করে রাখা হাউথি বিদ্রোহীদের রুখতে এবং রিয়াধের সুরক্ষায় এবার সরাসরি এগিয়ে এসেছে মিশর। সম্প্রতি মিশরের পার্লামেন্টে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পাস হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ও তুরস্কের মতো শক্তিশালী দেশগুলো মক্কা চুক্তির আওতায় সৌদির পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে ওই জোটের অংশ না হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও কূটনৈতিক সম্পর্কের খাতিরে মিশরের এই পদক্ষেপ নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
মিশরের সেনা মোতায়েনের এই সিদ্ধান্তকে সরাসরি নিজেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্ররোচনা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর বড় আঘাত বলে দাবি করেছে হাউথি বিদ্রোহীরা। জঙ্গি সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্বের স্পষ্ট বার্তা, উপসাগরীয় অঞ্চলে যখন শান্তির আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিল, ঠিক তখনই মিশরের এই পদক্ষেপে পুরো পরিস্থিতি ফের অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ল। হাউথিদের পক্ষ থেকে হুঙ্কার দেওয়া হয়েছে যে, সৌদিকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার পরিণামে মিশরের বিরুদ্ধেও পাল্টা আঘাত হানা হবে। পাকিস্তান, তুরস্ক এবং মিশরের সম্মিলিত উপস্থিতির মুখে হাউথিদের এই শক্ত অবস্থান সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও বিধ্বংসী যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।